Sunday, May 31, 2020
রক্তের দাগ
পাগলা ঘন্টি
Saturday, May 30, 2020
হঠাৎ বৃষ্টিতে দেখা
Friday, May 29, 2020
অভ্যেস
বনমালী
Wednesday, May 27, 2020
ফসিল
Tuesday, May 26, 2020
তৃতীয় পৃথিবী
মন হাওয়ায়
আকাশি মুক্তি
আকাশি মুক্তি
... ঋষি
প্রতিটা যুগের পর অন্য একটা যুগ
মাঝখানে স্তব্ধতা ,
আমার হারানোর অনেক কিছু ছিল সেদিন
চলন্তিকা তোর শুধু ছিল অপেক্ষা।
সময় কেটেছে
সূর্য উঠেছে ,নতুন কোন দিনে আবার ফিরে পাওয়া।
.
মাটি খুঁড়ে পচা ভিটে মাটি
আমার চারপাশে পুঁতে রাখা কয়েক যুগের জংলী গাছ
শুধু ছেয়ে রেখেছে আকাশ।
তুই শুধু না চলন্তিকা
তোর পাড়া, তোর গলি ,তোর বুকের খাঁজে জমা প্রাচীন রাসায়নিক বিষ
সবটাই আমার হোক।
সূর্য ওঠা সকাল কোন একদিন ঘুম ভাঙা চোখে
তোর আদরে লাগুক আমার জন্ম।
.
মানুষের মৃত্যু ঘোর থাকে
থাকে দূরে দিক্চক্রবালে বাড়তে থাকা স্তব্দতার আলিঙ্গন,
নির্দিষ্ট দিনে শেষে মানুষের ফিরে আসা থাকে
থাকে আকাশের পাখির পরিযায়ী সুখ।
আমি কোন স্তব্ধতার দিনে দূর আকাশের পাখি
জীবনান্দের চোখে তখন বনলতা ,
ভেজা মেঘ ,ভেজা শোক
নীল আকাশের গভীরে তবু সুখ ঘুমিয়ে আদুরে মেঘে।
আমি কখনো বলি নি আমার দিকে চাও
আমি কখনো বলিনি তুমি আমার হয়ে যাও ,
আমি শুধু পাখি হতে চেয়েছি চিরকাল
চেয়েছি মুক্তি তোমার গভীরে চলন্তিকা আকাশি মুক্তি।
Saturday, May 23, 2020
মহাবিশ্বে একলা
Friday, May 22, 2020
লাল রঙের ব্রা আর প্যান্টি
Thursday, May 21, 2020
সাদা পাতায় শূন্য
Wednesday, May 20, 2020
একটা দুর্যোগের দিন
Tuesday, May 19, 2020
দুর্যোগের সতর্কতা
Monday, May 18, 2020
নালিশ
সত্যি করে মিথ্যে
Sunday, May 17, 2020
সময়ের রুপ
স মা জ আর আমরা
নি র ন্ত র
মাঝরাস্তা
Saturday, May 16, 2020
কহিনুর
Wednesday, May 13, 2020
অহল্যা
ওল্ড ইউসলেস মেটেরিয়াল
মানুষ ভীষণ একা
.............. ঋষি
=====================================================
একটা সামাজিক ভোরের উদ্দেশ্যে বলা
কেমন আছো মানুষ ?
হাসি পায় ভাবতে নির্দিষ্ট পয়ঃপ্রণালী ,নির্দিষ্ট সামাজিকতা থাকা সত্বেও
মানুষ ভীষণ মেকি নিজেদের প্লাস্টিক স্মাইলে।
বিজ্ঞাপন,ক্রয় বিক্রয় ,মূল্যস্ফীতি ,অধিকার ,ন্যায়বোধ ,প্রতিবাদ
মানুষ ভীষণ একা।
.
মুখ থেকে রং গড়িয়ে পড়া
সামাজিক হিসেবে নিজেদের বুকে যায় নিয়মের ছুরি।
সব মেনে চলা
রাস্তায় দাঁড়িয়ে দেখা সেই বৃদ্ধ ভিখারির কান্না
কিছু দিয়ে যান বাবু ,অনেকদিন পেট ভোরে খায় নি।
কিংবা সেই মেয়েছেলে সস্তার মেকআপে রাস্তায় দাঁড়িয়ে খিদে খোঁজে
তুলে দেয় সন্তানের ,পঙ্গু স্বামীর মুখে ভাত।
সব নিয়ম ,সব নিয়মিত রোজ নামতা
দুঃখ এক্কে দুঃখ ,সুখ এক্কে সুখ ,আর জীবন এক্কে একা
সত্যি মানুষ ভীষণ একা।
মানুষ প্রতিদিন কমফোর্ট জোনের ভান করে মাংস সভ্যতার জানলা খুলে
হাসতে থাকে রিকশার পাদানি থেকে নামলে এক হাঁটু জল।
.
একটা সামাজিক ভোরের খোঁজে বলা
কেমন আছো হৃদয় ?
মুঠো মুঠো পাথরে স্তনের দরজায় দাঁড়িয়ে প্রেম মাথা খোঁটে
আর হৃদয় খোঁজে মন।
একলা রাস্তায় দাঁড়ানো অন্ধকার চাঁদ ঘুম কেড়ে নেয়
আজকাল মানুষ ভীষণ একা।
যদি ভালোবাসো
............... ঋষি
=================================================
যদি ভালোবাসো ,তবে বাসো
সবে সেটা পৌরুষের হোক।
তবে সেটা সত্যি কোনো অধিকারের মতো সামাজিক হোক
কোনো অজুহাত না।
যদি ভালোবাসো তবে সেটা বিবেকের কাছে পরিষ্কার কাঁচ
সকালের শিশিরের মতো পবিত্র হোক।
.
পবিত্র ,বলতে মনে পড়লো
আমরা পবিত্র ততক্ষন যতক্ষণ সমাজের আমরা ফিল ইন দা ব্ল্যাঙ্ক,
আমরা সামাজিক ততক্ষন যতক্ষণ তুমি আমার অচেনা পুরুষ।
যখন তুমি আমার ঘরে আসো
ভীষণ নগ্ন তুমি ,তার থেকে নগ্ন আমি ,,এটা অসামাজিক।
কারণ এই নগ্নতার কোনো সামাজিক নাম নেই
আমাদের পার্থিব চাহিদার বাহিরে আমাদের চাওয়াটুকু অপার্থিব।
আর অপার্থিব কোনোকিছু পৃথিবী মানে না
মানে না এই সমাজের অধিকারে বাস করা আমি তুমি আর আমাদের প্রেম।
এবার অনেক হলো
এবার আমাদের চাওয়া সামাজিক হোক।
.
যদি ভালোবাসো ,তবে বাসো
শুধু চোরের মতো চারদেয়ালে আমাদের শরীরের তৃপ্তি তে নয়।
শুধু নগ্ন নয় ,শুধু এই শীৎকারে আলোড়ন কিছু মুহূর্তের না
আমি চাই তা সামাজিক হোক।
কোনো অজুহাত না
যদি ভালোবাসো তবে ভালোবাসা পরিচিত হোক।
জীবানন্দের প্রকৃতি
................... ঋষি
=====================================================
মিসেস পরকীয়া
............ ঋষি
================================================
মিসেস পরকীয়া নামটা আজকাল সকলের প্রিয়
কেন ,কেন এই কথা বললেন ?
জেন্টেলমেন মহাশয় হাসতে হাসতে বললেন
হাত বাড়ালে মোয়া পাওয়া যায়।
কি যে জাতা বলেন
মানে বুঝি নি।মিসেস পরকীয়া জায়গা বদল করলেন।
.
কিন্তু গভীরতায় কি থাকে ?
নিজের গভীরে লুকোনো দুঃখগুলো ছুঁয়ে দিয়ে যদি কেউ মলম দেয়
সেটা কি পরকীয়া ?
মিসেস পরকীয়া হাসলেন স্পর্শ মানে কি জানেন জেন্টলমেন ?
খুব কঠিন প্রশ্ন।
আচ্ছা ধরুন আপনার স্ত্রী আপনার সাথে থাকেন
আপনি তাকে ছুঁতে পারেন ইচ্ছে মতো ,কথা বলতে পারেন।
কিন্তু ভাবুন ওটা শুধু পোশাকি
আসলে আপনার স্ত্রী অন্য কোথাও থাকেন ,অন্য কোনো পুরুষকে ছুঁয়ে।
কি জাতা বলছেন ?
আসলে আমরা সামাজিক আর পরকীয়া অসামাজিক
কিন্তু হৃদয় তাকে তো আপনি আর আপনার সমাজ বন্দী করতে পারে না।
.
মিসেস পরকীয়া সবাই তো আপনার মতো বেশ্যা হয় না
হাসি পাচ্ছে জানেন জেন্টলম্যান ,আপনি বেশ্যা শব্দের মানে জানেন না।
কারোর সাথে শরীরে শুলে সমাজ বলে বেশ্যা
অথচ সেই শরীরে আপনার ডিপোজিটে যদি থাকে ,
কিন্তু হৃদয়ের স্পর্শ গুলো অন্য কোথাও। কি বলবেন তাকে ?
জাতা জাতা জেন্টলম্যান মশাই উঠে গেলেন ।
.
পুনশ্চ :এই কবিতা নিতান্ত আমার ভাবনার প্রতিফলন। কারোর যদি খারাপ লাগে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।
রাক্ষস
জন্মস্থান
সিনেমা চলছে
শৈশব,কৈশোর,যৌবন
শৈশব,কৈশোর,যৌবন
,,,,,,,,,,,ঋষি
******************************************
যেখান থেকে শৈশব ম্লান
কৈশোর কেশর বিছায় অন্য স্বপ্ন,গল্পটা শুরু।
মশাই পবিত্রতা কাকে বলে
এই বয়সে এসে বুঝেছি শরীর শুধু কালকেউটে।
বিষ উগড়ান ইচ্ছেগুলো শরীরের শুধু সাবমেরিন,
ডুব সঁাতারে বঁাচে।বাকিটুকু শুধু মানসিক।
.
ওই যা হয় মশাই,
এসময় সমবয়সী মেয়েরা সঙ্গী হলে খেলার একটা আলাদা মজা ।
সংকেত আর রহস্য ভাবলে স্থিমিত অধিকারে
বড়ো হওয়ার আরো স্বচ্ছ্ব বিস্তার।
আমি কৈশোর মানে বুঝি কিছু নতুন খেলা
শৈশব শেষে কৈশোর চাবি দিয়ে যৌবনের দরজা খোলা।
কি মশাই ভাবছেন ডেপো ছেলে
একবার ভাবুন যেভাবে দূর্গা-আপু শীত-দুপুরে শিউরে ওঠে রেলগাড়ি ঝমঝম
মুদ্রাময় নাচ - দূর-দূর ছুটে আর অস্ত যাওয়া বিকেল।
পাঠশালা - গুরুমশায় আর টিফিনের ফাঁকে গোত্র লুকোনো মার্বেল - গুলতির নির্ভুল টিপ্।
পকেট ঝনঝন।
.
যেখান থেকে শৈশব ম্লান
শুরু ইশপের গল্প শুধু রুপকথা,কৈশরের চাবিতে যৌবনের সুত্রপাত।
কি ভাবছেন মশাই,
অপু, দুর্গা নাকি লুকনো সেই প্রেমপত্র।
একপাশে কাশফুল অন্য পাশে পানা পুকুড়ের শালুক
আসলে জলাশয়,,,,,,,মনে পরছে।
অসমাপ্ত ভুমিকা
Monday, May 11, 2020
চ্যাপলিন
.... ঋষি
জানি না জীবন্ত বেঁচে থাকা কি
জানি না মানুষের আদলে আমি কেন ক্রমশ পাথর হয়ে যাচ্ছি,
ঠিক জানি একটা টানা বারান্দা,লম্বা শব্দবহুল রাস্তা
অনেকগুলো ঘর পাশাপাশি সম্পর্কের, সামাজিক সভ্যতার দত্তক।
পায়রার ক্রমশ বকরবকর, মাথা যন্ত্রনা
পুরনো বাড়ির ভীতে আজ কেন জানি এক অসহায় বোধ
আমি খুব সাধারণ,
আর সাধারণ বাঁচার গল্প গুলো পুরনো সাদা কালো পরর্দায়
খিদের পৃথিবী আর চ্যাপলিন।
.
ফিরে আসা পরিযায়ী রাষ্ট্র মেখে পাখি হতে পারে না
ফিরতে চাওয়ার রাস্তাটায় বহুদিনের অবহেলায় কেউ হাঁটে না,
শুনশান ট্রেনের লোহার রাস্তায় আজকাল রক্ত শুয়ে থাকে
তোমার নাকমুখ দিয়ে উপছে উঠতে থাকে অযত্ন আর অভিমান।
আমার বড় অসহায় লাগে,
কেন জানি পরে থাকতে দেখি আমার কাটা পাগুলো,আমার হৃদয়
তোমার ট্রেন লাইনের পাশে।
.
মানুষের নিষিদ্ধ বাঁচা
তবু রুটি ছড়িয়ে থাকে সারা সময়ের খিদেয়,
ট্রেন লাইনে,রেশন লাইনে,কাজের লাইনে, সর্বপরি বাঁচার লাইনে।
কিছুই বদলায় না
তবুও চ্যাপলিন হাসে সাদা কালো খিদেতে অন্ধ নারীর চোখে।
তবুও জানো নিয়মকরে হারাতে থাকা টেলিফোন মাঝের মধ্যে বাজে
বুকের ভিতর ক্রিং ক্রিং
কোন ঈশ্বর যেন পৃথিবীর বুকে যন্ত্রনা বুনতে থাকে।
আমি বসে থাকি ঈশ্বরের কবরের পাশে
আমি অপেক্ষা করি চ্যাপলিনের কাঁদতে চাওয়া হাসির পাশে,
রঙিন সাজানো আয়নায়
সমস্ত অভিনয় রাষ্ট্রের ধরা পরে যায়,
আর আমি মিল পাই চ্যাপলিনের সাধারণ বাঁচা সাদা কালো পৃথিবীতে
ঠিক আমাদের আয়নার পাশে।
Sunday, May 10, 2020
পৃথিবী আছে বেঁচে
... ঋষি
আমি নিশ্চন্তে ঘুমিয়ে তোমার চুলে
তুমি কি বুঝতে পারছো,
আমি দাঁত দিয়ে চেপে ধরছি তোমার বুকের অর্ধচন্দ্রাকার
তুমি কি মিল পাচ্ছো।
তুমি কি চিনতে পাচ্ছো প্রেমিক আর সন্তান দুজনেই বড় শারীরিক
আলাদা করে তুমি উত্তীর্ণ হচ্ছো নারী।
.
তুমি কাকে খুঁজছো এসময়
তুমি কাকে চাইছো জড়াতে তোমার বুকের ভাঁজে,
ভালোবাসার শব্দটায় অনেকটা সঞ্চয় তোমার শীতের শহরে রাখা
আর গ্রীষ্মে একলা বারান্দা,মনখারাপ,
কিন্তু নারী তোমার শরীরে বৃষ্টি সে কি শুধুই কষ্ট
নাকি ভালোবাসার ডালপালা।
.
আমি নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছি তোমার নাভীতে
তোমার প্রতিটা জন্ম নারী শুধু তোমার একার নয়,
আমিও থাকি তোমার গভীতে ফসলের ঘুমে সবুজের মাঝে।
নারী তুমি মাছেদের মতো জলেই জেগে থাকো
নারী তুমি স্বপ্নের মতো প্রতিটি পুরুষের বুকে থাকো,
এই পৃথিবীর তিনভাগ তাই জলে ডুবে থাকে
আর পুরুষ শুধু একভাগ তাও স্বপ্নে বেঁচে থাকে।
.
আমি নিশিন্তে বেঁচে থাকি নারী তোমার দিনে রাতে
তোমার আয়নায় কিংবা রান্নাঘরে
যখন শব্দ হয় আমি বুঝি বাঁচছে আমার আগামী,
যখন দেখি একগুচ্ছ বিনুনী বাঁধা কিচিরমিচির রাস্তা দিয়ে চলেছে
আমি বুঝি আগামী পৃথিবীতে বাড়ছে আরো গাছ
আরো নিঃশ্বাস।
তুমি কি বোঝো এসব
তুমি কি জানো প্রতিটা পুরুষ প্রতিদিন কাজের শেষে ফিরে আসে
নারী তোমার জলরেখা ধরে পরম তৃষ্ণায়।
মুঠোবন্দী
... ঋষি
কার পুরুষ, কার সন্তান,কার ঔরস
শুনেছি পৃথিবীর হাজারো যুদ্ধ ঘটেছে শুধু নারী তোমাকে নিয়ে,
শুনেছি নারী তুমি ঘুমোলে তোমার সারা শরীরে ফুটে ওঠে নক্ষত্র
অজস্র নক্ষত্র তখন সারা অন্ধকার আকাশে।
সময় তখন জ্যোৎস্না হয়ে সারা পৃথিবীতে আনন্দ
আমি জানি আমি সবুজ মানূষ, লেবু ফুলের গন্ধ।
.
আমি কখনো অন্যের নারীকে প্রার্থনা করি নি মনে মনে
আমি কখনো অন্যের নারীকে স্বপ্নে কামনা করিনি,
সে অল্প সময়ের রোগ
হস্তমৈথুনে আমি খুলে ফেলেছি তখন সারা ভারতবর্ষের সমস্ত নারীকে।
সে ভুল নয় অসুখ
সময়ের অসুখে ঈশ্বর যে অতৃপ্ত তখন।
.
কোন বাছ বিচার করি নি বন্ধুর বোন, অন্যের দিদি,সহ পাঠিনী
তখন ভারতবর্ষের প্রতিটি নারীকে নগ্ন করেছি রোজ,
পরে বুঝেছি চাঁদের জ্যোৎস্না নিয়ম করে শুধু আমাকে মাতাল করে নি সেই সময়
পুরুষ মাত্র নারীর কাছে ভিখারি চিরকাল।
আমি কখনো কোন নারীর কাছে দাঁড়িয়ে সেই সময় মুগ্ধ হই নি
শুধু নগ্ন হয়েছি, নগ্ন করেছি
চাঁদের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সুর্যকে মিথ্যে বলেছি জানো
কারণ ভালোবাসা সম্বল আমার ছিল না কোনদিন।
.
একদিন মাঝরাতে আমি নর্দমার পাইপ বেয়ে উঠে গেছিলাম তিনতলার ছাদে
সেদিন মা আর মেয়েকে নগ্ন করে দেখছিলাম নক্ষত্র
বিশাখা,রোহিনী, চিত্রা,
তারপর সকালের আলোয় মুখগুলো হারিয়ে যেতে থাকলো।
বুঝতে পারি নি সেদিন
আজ বুঝি জ্যোৎস্নাকে কখনো মুঠোবন্দী করা যায় না
করা যায় না হস্তমৈথুনের কারণ।
Saturday, May 9, 2020
দেশলাইয়ের শহর
... ঋষি
Friday, May 8, 2020
অরণ্যের অধিকার
... ঋষি
আজ বহুদিন তোমায় নিয়ে চলেছি একলা নির্জন রাস্তা ধরে
আজ বহুদিন তোমার হাত ধরে হাঁটছি সময়ের রাস্তা ধরে।
তোমার যখন অসুখ,
তোমার যখন একলা শহর
আমি তোমার মাথায় হাত রেখেছি অনেকটা ছায়ার মতো,
তুমি যখন ভুল বুঝে দূরে সরে গেছো বারংবার
আমি বুঝেছি তোমার অভিমান পৃথিবীকে অভিশপ্ত করেছে।
.
আমি মায়ের কথা শুনিনি,শুনি নি বাবার কথা
শুধু শিরদাঁড়ার পাঁচিল ধরে হেঁটে গেছি বহু শতাব্দী ধরে।
আর উপার্জন
কারোর পা ছুঁয়ে আমি হয়ে যেতে পারি নি ক্রীতদাস,
তুমি ভালো জানো চলন্তিকা
শালা অন্নের খোঁজে আমি দিতে পারি নি সাজানো মতবাদ।
.
শুধু আমি হেঁটে গেছি তোমার হাত ধরে
তুমি জানো
আমার কোন শিক্ষক ছিল না যে পড়াবে আমাকে ভুগোল
বলবে পৃথিবী গোল।
তুমি জানো
আমার কোন ইতিহাস ছিল না কোনদিনও
যা পড়ে বুঝবো ভারতবর্ষ একটা সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র
আর আমি একজন স্বাধীন নাগরিক যে সত্যি বলতে পারে।
আমি হাঁপিয়ে পড়েছি চলন্তিকা আজকাল
শুধু শব্দের মতো আমাকে ঘিরে অজস্র সম্পর্কের নাম
শুধু পরিচয় মেখে আমাকে ঘিরে হাজারো চরিত্র।
.
শুধু আমি হাঁটতে চেয়েছি তোমার হাত ধরে
আজকাল জানো চিনতে পারি না নিজেকে
ছেঁচড়ে ছেঁচড়ে এই মুহুর্তে আমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছি সেটা একটা অরণ্য
আমার চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে বণ্য জন্তুদের আঁচড়ানো, কামড়ানো
হাজারো শরীর।
সেখানে মৃত চামড়ার ভীড়ে কিছু কিছু মুখ আমার ভীষণ চেনা
কিছু অচেনা
শরীরগুলো চিৎকার করছে, বাঁচতে চাইছে।
জানি আমিও পথ হারিয়েছি চলন্তিকা
তবু জানো এখনও আমি পথ হাঁটি তোমার হাত ধরে গন্তব্যের আশায়।
গাছ জন্ম
--------------ঋষি
তুমি জড়িয়ে নামছো আমাকে বহুদিন
আমি বহুকাল গাছের মতো বেঁচে আছি, শুধু শরীরে,
আমাকে পুরুষ যদি মনে হয়, যদি মনে হয় তোমার প্রেমিক
তবে আমাকে ভুলে যাও।
আমি গাছের শরীরে হয়ে আজ বেড়ে উঠছি তোমার রান্নাঘর
ক্লোরোফিলিয় পদ্ধতি,
তুমি আমাকে খেয়ে ফেলতে পারো রান্না করে
কিংবা জল ঢেলে এগিয়ে দিতে পারো আগামী মৃত্যুর দিকে।
.
তুমি আমাকে জল ভাবতে পারো
ভাবতে পারো নদী বা সমুদ্রে তোমার চোখের নোনতা স্বপ্ন,
জানি কালরাতে তোমার শরীরে বান ডেকেছিল
তোমার শিয়রে সারারাত দাঁড়িয়ে ছিল কালপুরুষ।
কালপুরুষ তুমি তাদের চেনো
বেদ ব্যাস আর বাল্মিকী।
.
তুমি জড়িয়ে নামছো আমাকে চিরকাল
আমি বহুকাল গাছের চোখে সুর্যের দিকে তাকিয়ে আলো খুঁজছি,
যদি তুমি আমাকে তুমুল ভাবে ভালোবাসতে চাও খবর দিও কোন কাঠুরেকে
যে ঈশ্বরের কুড়ুলে আমাকে কেটে আবার জন্ম দেবে।
আমি জানি খুব হাস্যকর আমার গাছ জন্ম
আমি জানি খুব অশান্তির আমার জল জন্মা
কি ছিল তোমার আখরোট ঠোঁটে, আমার নবজন্ম
কি ছিল তোমার নাভীর কস্তুরী গন্ধে , অরণ্যের গন্ধ
তোমার বাঘের চোখ
বড় গভীর কোন অরণ্য।
.
তবু আমি গাছ হয়ে রয়ে গেছি এসময় সামাজিক থানে
আমার চারপাশে ঘেরা নগর কীর্তন, অজস্র পূর্ণাঙ্গ কাহিনী,অজস্র কান্নাহাসি
জানো এখন ঝড় উঠছে আমার চারপাশে
দুর্যোগ
তোমার মতো কেউ সিঁদুর পরা, খোলা চুলে আমার দিকে এগিয়ে আসছে
আমাকে বলছে তার মনের কথা
তাকিয়ে দেখো মেয়েটা কেমন জড়িয়ে কাঁদছে আমায়
আমার গাছ জন্ম।
Thursday, May 7, 2020
মুসাফির
... ঋষি
এক ঝড়ের রাতে জড়িয়ে ধরেছি তোমাকে চলন্তিকা
এক ঝড়ের রাতে সমুদ্রের ধারে কাঁচের ঘরে শুধু স্বপ্ন,
পায়ের সাথে পা জড়িয়ে ধরে বালুচরে
আকাশের চাঁদে জ্যোৎস্না এসে ধরা দেয় কবিতার মতো।
আছড়ে আছড়ে পড়ে বুকে শব্দ ঘোর
পাগল প্রেমিকের মতো আমি আর আমার বালি ঘর।
.
তুমি ঠিক বলেছো চলন্তিকা
আমার সংসারী হওয়া হলো,
হাতের দোতারায় প্রেম যেন ছুঁয়ে থাকে পাগল বিশ্বাস
আঙুল গড়িয়ে নামে ইচ্ছা সংবেদনশীল চেতনার মতো।
শুধু স্তব্ধতা ধরা দেয়
যখন জড়িয়ে ধরি তোমায় একলা আমি বুকের ভাঁজে।
.
এসেছিল জল দস্যু সাজে সমুদ্রের হাওয়া
ছুঁতে ছেয়েছিল তোমায়,
সেই থেকে আমি পাগলপারা মুসাফির পালিয়ে এসেছি নদীতে,
নদীর পাশে তোমার হাত ধরে প্রতিজ্ঞা করেছি
নারী আমি গাছ হয়ে থেকে যাবো।
নারী আমি হয়ে যেতে পারি কোন একলা বাঁশির শব্দ
কোন মন আনছান বাঁশির সুর
পাগল করছে আমায়,
হায়ছানি দিয়ে ভুলে যাওয়া সমুদ্র ক্রমশ মুখ লুকোচ্ছে
নদীর মিষ্টি জলে।
আমি আরও গভীরে তলিয়ে তোমার মত মুখ দেখছি নদীতে
ক্রমশ এগিয়ে চলেছে নদী সম্পর্কের সাজে
তুমি ঠিক বলেছো চলন্তিকা আমি প্রেমিক হতে পারি
কিন্তু সংসারি না
শুধু মুসাফির আমি তোমার প্রেমে ।
ক্ষনিক জন্ম
... ঋষি
এসো আলো এসো, আমি তোমার দিকে তাকিয়েছি যেই
এসো নিস্তব্ধে এসো, আমি ঘড়ির দিকে তাকিয়েছি যেই
বুঝে গেছি
যোগ্যতা ছুঁয়ে আমার মৃতদেহে শুধু অধিকার।
আমার মৃত শরীর পড়ে আছে কাঁটাঝোপে রাখা পুরোনো পচা গন্ধে
আর বুকের ভিতর ভয়
নারী তুমি চির বেদনাময়।
.
বিপ্লবী যারা তারা সব আজকের সময় ধান্ধাবাজ হয়ে গেছে
বেশ্যা বলয়ে বসে খুবলে খাওয়া চিৎকার চিরকাল ধান্ধাবাজের।
নারী তুমি কার সাথে পা বাড়াবে জানি না
পুরুষ তুমি কার সাথে বাঁচবে জানি না,
শুধু দুজনে একে অপরকে বলবে বিষ খাবো তাই একসাথে আছি
শুধু দুজনে একে অপরের দিকে তাকিয়ে বলবে
তুমি আমার জন্য মরতে পারো
কই বাঁচতে পারো না তো।
.
সারা শহর জুড়ে বৃষ্টি
রাস্তায় প্রায় এক হাঁটু জল
নারী তুমি হাল্কা শাড়ি তুলে আলগোছে পার হচ্ছো তোমার অভিজ্ঞতা,
তোমার গাল চূঁয়ে নামা নোনতা জল
তুমি উদ্দেশ্যে হাঁটা ক্যাফেটেরিয়ায় বসা পুরুষটার প্রতি
কাল রাতে তুমি ভিজেছিলে একি অভিজ্ঞতা।
.
কাল রাতে তোমাকে স্বপ্নে ছুঁয়ে জানতে চেয়েছি
বলো কাকে বলে ভালোবাসা?
তুমি থুথু ছিটিয়ে আমাকে বললে ছোঁবে না আমাকে একদম,
আমি হাসি নি, আমি কাঁদি নি
শুধু অপেক্ষা করেছি ভোরের
কোন ধান্দাবাজ নয়,শুধু তোমার প্রেমিক হয়ে নারী
মিলিত হয়েছি আলোর সাথে
আর তখনি হাতঘড়িটা পড়ে ভেঙে গেছে।
Wednesday, May 6, 2020
শব্দহীন
... ঋষি
একদিন ঝুপ করে লাফ মেরে পাড় করে দেবো গোল মধ্যবিত্ত আমার পৃথিবী
সোজা ঢুকে যাবো তোমার দু উরুর ফাঁকে,
কোন শব্দ করবো না, শুকনো পাতা মাড়াবো না
শুধু হাঁটবো।
জানি সেখানে কোন সিঁড়ি থাকবে না উপর বা নীচের
থাকবে না জ্যামজট কিংবা উড়তি কোন ঝামেলা
শুধু উত্তর থাকবে।
.
জানো তো জীবনানন্দ মারা গেছেন অনেকদিন
কিন্তু আমার মাথার ভিতর ছেড়ে দিয়ে গেছেন নীল আকাশ আর সোনালী চিল,
আমি জানি না সেখানে আকাশ থাকবে কিনা
কিংবা সোনালী চিল,
কিন্তু আমি সেই চোঙের ভিতর দিয়ে হাঁটতে পৌঁছে যাবো পারিজাতে
ঈশ্বর হয়তো থাকবেন সেখানে আমার ভিতর
কিন্তু কোন প্রশ্ন থাকবে না।
.
আজ থেকে কুড়ি বছর পরে
যখন তোমার চোখে চশমা, মেরুদন্ডে জমবে আমার ইচ্ছে,
সেদিন তুমি আমাকে আদর করে আয়নায় দাঁড়িয়ে খুঁজবে নিজেকে।
ভীষন মজা তখন
আমি থাকবো না সেদিন অথচ থাকবো তোমার ভীতর
শুধু তোমার গভীরে থেকে হাসবো আর হাসবো
এতগুলো বছর।
সেদিনও কোন শব্দ হবে না
পড়ন্ত রৌদ্রের শেষ সুর্যে দাঁড়িয়ে আমি শেষ সামুরাই
সেদিন সারা আকাশ জূড়ে সোনালী স্বপ্নের চিল
সারা মাথা জুড়ে আমাদের গত হয়ে যাওয়া যৌবন
শুধু উড়বে,
তুমি বলবে " এই জীবনটা ঠিক বাঁচা হলো না "।
সন্ধ্যে নামছে পৃথিবীতে
.... ঋষি
কি ভাবে তৈরি হলো এই পৃথিবী
মনে পড়ছে না?
হঠাৎ দুরে পুকুরের পাশে আমগাছটায় বসা মাছরাঙা দেখে
মনে হলো মাছরাঙা পাখিটা আসলে অপেক্ষায়,
আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখছি
তোমাকে বারান্দায়।
.
একটা বাচ্চা ছেলে হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে আসছে বারান্দায়
পাশে গড়াচ্ছে একটা বল,
আমি চমকে উঠি বাইরে হাওয়া দিচ্ছে
বলটা একলাই গড়াচ্ছে নিজের মতো করে অন্য হাওয়ায়।
দরজা খোলা সিঁড়ি বেয়ে গড়িয়ে নামছে বলটা
আমি পৃথিবীর শৈশব
ভয় পাচ্ছি আমি যদি আরো নীচে নেমে যায়।
.
তুমি কি ভাবছো চলন্তিকা?
এটা কি পৃথিবী আর সেই বাচ্ছা ছেলেটার কবিতা,
আমি শুধু বারান্দায় দেখছি তোমায়।
তোমার খোলা আকাশ, হাজারো ভাবনা, রান্নাঘরের হাতা খুন্তি
আমার বারান্দায় স্তব্ধতা,
স্তব্ধতা বলতে তুমি কি বোঝ চলন্তিকা?
না তোমার বারান্দা চুরি করে নেওয়াটা আমার উদ্দেশ্য নয়
বরং তুমি এর সাথে যোগ করতে পারো কফি মগ, ইজি চেয়ার
ঘুমের ওষুধ,চুলের ক্লিপ,সাবানের গন্ধ,কবিতার খাতা
শুধু কল্পনা
কিন্তু আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না
কি ভাবে পৃথিবী তৈরি হলো?
শুধু দেখতে পাচ্ছি হঠাৎ মাছ রাঙা পাখিটা ঝুপ করে ঝাঁপ মারলো
পুকুরের জল থেকে ঠোঁটে গেঁথে নিলো খিদে ,
আমি সিগারেটের ধোঁয়া আকাশের দিকে ছেড়ে মুচকি হাসলাম
এই মুহুর্তে সন্ধ্যে নামছে পৃথিবীতে।
আলোর খোঁজ
... ঋষি
মিসেস ত্রিবেদী আপনি রীনা ব্রাউনকে চেনেন?
আরে সেই মেয়েটা যাকে আপনি ওথেলো নাটকে দেখেছিলেন।
কেন প্রশ্ন করছি ?
আপনি জানেন কিনা জানি না
ওথেলো শুধু একটা নাটক ছিল না, ছিল একটা আলোর খোঁজ
আপনি শোনেন নি কৃষ্ণেন্দু বলছে ডেসডিমোনাকে
" পুট আউট দ্যা লাইট ............ "।
.
আপনি ছেলেটাকে দেখছেন না অনেকদিন রাস্তায়
অনেকদিন আপনি মেয়েটাকেও দেখছেন না,
দেখছেন না বোবা লাইটপোস্টের নিচে দাঁড়ানো পাগলা জগাইকে
যে চিৎকার করে গাইতো ভর সন্ধ্যেতে
" আমার মুক্তি আলোয় আলোয় "।
অবাক কান্ড মিসেস ত্রিবেদী আপনি বারান্দায় দাঁড়িয়ে হেডফোন কানে
শুনছেন একি গান রবিঠাকুরের
তাকিয়ে আছেন একলা দাঁড়ানো খালি রাস্তার লাইটপোস্টের দিকে।
কি ভাবছেন?
.
রাস্তা এখন শুধু একা
একা পড়ে আছে হ্লুদ ট্যাক্সির জানলা,অঞ্জলদার পানের দোকান,
নিরুপমের হোটেল , সঞ্জয়দার খাতা,কলমের দোকান,
আপনার কেমন লাগছে মিসেস ত্রিবেদী?
শুনেছি আপনার স্বামীর সাথে আপনার সম্পর্ক ভালো না
আপনার স্বামী এখন আমেরিকায়।
প্রায় চল্লিশ দিন তাই না
শেষ দেখেছেন তাকে ফেসবুক আপলোডে অন্য কারোর সাথে,
কি ইচ্ছে করছে উড়ে যেতে।
না এই মুহুর্তে আপনাকে ডানা দেওয়া যাচ্ছে না
দেওয়া যাচ্ছে না আলো,
আরে কাঁদছেন কেন? আসুন না আরেকবার আমরা সপ্তপদী দেখি
কিংবা পড়ে ফেলি ওথেলো
যদি এইভাবে ওই ছেলে মেয়ে দুটোকে, পুরনো সময়টাকে ফিরে পাওয়া যায়
কিংবা কাটিয়ে ফেলা যায় নষ্ট এই সময়টাকে।
সময়ের খবর
সময়ের খবর
... ঋষি
আবার শুরু করা যাবে, কি বলো?
শহরের গলিগুলোতে বিষন্ন দিনগুলো কার?
তোমার, আমার।
সামনের পার্টি অফিসে নেতাজীর বাঁধানো ছবি,রবীন্দ্রনাথও আছে
সামনে বিশাল লাইন
উচ্ছে,বেগুন, পটল,মুলো, সংস্কৃতি চটকানো বড় রাষ্ট্রের বেটারা
টিভি পর্দায় বিলি ব্যাবস্থা বুঝে নিচ্ছে।
.
রাষ্ট্র
পকেটে দলা পাকানো কয়েকখানা গান্ধীজী ।
তৃতীয় শ্রেণীর লাইনে মৃত্যু শব্দটা ঈশ্বরের থেকে বেশি আসে মুখে
আর অশ্লীল শব্দগুলো ঈশ্বরিক মনে হয়।
আমি,তুমি কে চলন্তিকা?
শুধুই সাধারন
আর পরিচয়ের মানপত্রে লেখা আমাদের দাগ নম্বর, গলির নম্বর
আর ভোটার সংখ্যা।
.
রাস্তার মোড়ের কালুদার চায়ের দোকানটা প্রায় দুমাস বন্ধ
ছোঁয়াছুঁয়ির একটা পুরনো রোগ বাতাসে,
আসলে কালুদা স্যানিটাইজ করা চা বিক্রি করতে পারলো কই।
উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে
আর আমাদের ঘাড়ে সাধারণ মাথা,
কালুদার মাথায়ও তাই।
তবে কালুদার বৌ চীৎকার করছিল বিছানায় শুয়ে রাষ্ট্রের গলায়
কাল রাতে শুনলাম বলছে
পেটে ভাত না থাকলে মরবে না,
কিন্তু বুধোর সাথে না শুলে,না চো...লে মরে যাবে
কারন দমবন্ধ রাষ্ট্রের সত্যিগুলো শুধুই মিথ্যে জুড়ে সাজানো
.
আচ্ছা চলন্তিকা এখন কি তোমায় চুমু খাওয়ার জন্যও
আমার ঠোঁট স্যানাটাইজ করতে হবে,
এই যে সারা পৃথিবীতে শুনেছি ২২ রকমের চুমু
এখন কি তবে সব চুমুর পদ্ধতিগুলো বদলাতে হবে।
জানো তো চলন্তিকা ছোটবেলা থেকে আজ অবধি
আমাদের হাজার টেনেও কেউ বড় করতে পারে নি
কারন রাষ্ট্রের মরজির কাছে আমরা চিরকাল নগন্য।
তাই আমাদের খিদে পেলে কি এসে যায় রাষ্ট্রের
শুধু খবর আর রাজনীতি ছাড়া।
.
( এই কবিতা নিতান্ত সময়ের মনোভাবের ছবি।অশ্লীলতার দায়
আমার কিন্তু কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য নয়,উদ্দেশ্য নয়
কোন রকম রাজনীতির।)
Monday, May 4, 2020
তুমি আর আমি
তুমি আর আমি
... ঋষি
তুমি
.
তোমার স্বপ্ন, আমার বেঁচে থাকায়
শুধুমাত্র তোমার হাসিমুখ।
.
হঠাৎ জীবিত থাকার জানলাগুলো বন্ধ হয়ে গেলে
হঠাৎ দরজার বাইরে যদি যদি জীবন দাঁড়িয়ে থাকে
তুমি কি বুঝবে আমায় সেদিন?
.
সত্যি কথা বলবে আমাকে ঈশ্বর ছাড়া মানুষের ধর্ম কি ?
সত্যি কি তুমি জানো না আমার তুমি, কে ধর্ম,
কে আমার ঈশ্বর ?
কে নি'শ্বাস ?
.
ফিরে আসা খালি হাতে, দূরে মাঝি নৌকা তীর খোঁজে
জানি বাঁচার জন্য মাটি দরকার গাছের,
আমি শুধু কাব্য করে লিখে ফেলি স্বপ্নদের আকাশী রঙে
আমি শুধু দিন গুনি তোমার সাথে দিন কাটাবো বলে
কিন্তু হঠাৎ ঝড় জলে মাঝি নৌকা মাঝ নদীতে ভেঙে যায়।
.
আর উত্তর দেব না তোমায়
আমি জানি আমার উত্তরগুলো তোমার নাভীতে শিকড় নিয়েছে,
মানুষ বোঝে গাছ কাটা ক্ষতিকারক
তবু কৃত্রিম গুজব এই সভ্যতায় গাছ কেটেই ফেলে।
.
হঠাৎ মেঘলা আকাশে যদি বৃষ্টি নামে, তুমুল দুর্যোগ,ঝড় ওঠে
হঠাৎ পথ চলতি তোমার স্পর্শরা যদি ছুঁয়ে যায় মিষ্টি হাওয়ায়
আমি বুঝি আকাশ জড়াতে চাইছে তোমায়।
.
ঈশ্বর সাক্ষী শুধু তুমি
আর বাকি রোজকার।
.
আমি
বাড়ি
হুট করে সরে আসার পর স্পর্শের আকাঙ্খা বাড়ে আমাদের প্রত্যেকের আলাদা বাড়ি অথচ ঘর একটাই সেই ভিতরের ঘরে বাড়তে থাকা আলাপ আমাদের আরও কাছে আনে , ...
-
বৌদি তোমার জন্য .... ঋষি ==================================================== তোমাকে চিনি আমি বৌদি ঠিক আমার বাড়ির উল্টোদিকে ছাদে তুমি স...
-
মুখাগ্নির মন্ত্র ... ঋষি . এক শতাব্দী নিজস্ব অন্ধকারে লুকিয়ে থেকেছি এক শতাব্দী লাট খেয়ে পরে থাকা মৃতদেহ কুড়িয়েছি কুড়িয়েছি ভনভন পচে যাও...
-
নোংরা মেয়ে ... ঋষি মেয়েটা দাঁত কেলিয়ে শাড়ি সরিয়ে দাঁড়ায় যার যোনিতে বাস করে অজস্র বীর্যপুত্রের ছড়ানো সমাজ। মেয়েটা পথ চলতি লোকের গা...