Wednesday, March 31, 2021
খেলাঘর
Tuesday, March 30, 2021
ফরেস্তা
সুড়ঙ্গ
Monday, March 29, 2021
এক ফালি রৌদ্র
আ ইমপারফেক্ট স্টোরি
Sunday, March 28, 2021
দোল উৎসব ২০২১
Saturday, March 27, 2021
নষ্ট বিশ্বাস
তোমার অশ্লীলতায়
কথা
অন্য বসন্তের কবিতা
Friday, March 26, 2021
সন্ত্রাস
Thursday, March 25, 2021
পুরুষ শব্দটা
পুরুষ শব্দটা
... ঋষি
.
সবাই ময়নাকে ভালোবাসে
কিন্তু প্রতিটা পুরুষের গভীরে জীবিত সেই কালো মেয়েটা
না, ভালোবাসে না।
আগুন নেভাতে মেঘ লাগে
অথচ যে মেঘের বৃষ্টি চিরকাল ,যে মেঘের যন্ত্রণার ছায়াছবি
সেই মেয়েটাকে বোধহয় সকলে কালো মেয়ে বলে।
.
আমি আকাশ খুঁড়ে দেখি
বুক আগলে শুয়ে থাকা কালো মেয়ে সে যে অদ্ভুত পেইন্টিং
গণেশ পাইন ,
আকুতি শুধু কালো মেয়ের পাশে এক সবুজ টিয়া
সবুজ ঘর ,সবুজ সংসার
সবুজ কিছুক্ষন মুখোমুখি সময়ের ঈশ্বর।
.
আবিষ্কার শব্দটা বোধহয় পুরুষকে ঋণী করছে মাতৃতান্ত্রিক সময়ের কাছে
স্তনের বোঁটায় গড়িয়ে নামা শৈশব তাই বোধহয় এত কমদামি আজ ,
পুরুষের ভিতে মাটিতে কুকুরে জিভ
তাই বোধ হয় কালো মেয়েটাকে ছেড়ে চলে গেলো তার স্বামী,
আর কালো মেয়ে স্মৃতি আগলায়
আগলায় সুখ ,
বুকের মাটি খুঁড়ে ছড়িয়ে দেয় সবুজ শস্য মনের টিয়াকে।
আরো অধুষ্যিত হলো এই ভাবনা আমার অনুভবে এক কালো মেয়ের জন্ম দেয়
যে আকাশের দিকে তাকিয়ে শধু দিনবদলের গল্প লেখে ,
গল্প লেখে ঋতুবদল
অথচ খুব সহজ করে সত্যি লিখতে পারে না ,
কারণ পুরুষ শব্দটা বিশ্বাসযোগ্য নয়
বিশ্বাসযোগ্য নয় পুরুষের চোখে কুকুরের প্রেম।
.
বারুদ
বারুদ
... ঋষি
তোমার ঘৃণার শব্দগুলো বারুদ হয়ে নামুক আমার বুকে
আরো আগুন চাইছি আমি
চাইছি একুশ শতকের বুকে অপেক্ষামান ঝিমিয়ে থাকা বিশ্বযুদ্ধ ,
ডার্ক ওয়ার্ল্ড থেকে উঠে আসা আমার শব্দরা
কোনোটাই মানুষের জন্য না
প্রতিটা শব্দ হোক ধ্বংসের।
.
আমি আমজনতার কথা জানি না
প্রতিদিন বাজারের ব্যাগে উঠে আসে সময়ের যুদ্ধের ট্যাংকার ,
আমার চারপাশে ছড়ানো মুখগুলো সব রক্তাক্ত ,
সময়ের রক্তবমি আজ
অথচ প্রাচীন রোমের ক্লোয়াক্সা ম্যাক্সিমা নামক বিশাল নর্দমায় আজ শুস্কতার মৌসম,
আমার ১২ নম্বর সুনীলরায় সরণি
আজ শুধু অপেক্ষামান যুদ্ধক্ষেত্র।
.
তোমার শব্দের অবিশ্রান্ত যুদ্ধজেটের বোমাবাজি
আমি মুক্তি খুঁজেছি ,
খুঁজেছি নিজেকে তোমার ঝুলে থাকা মধ্যে বয়স্ক স্তনে ,
সাজানো চোখের পাতায় ,চোখের কালিমায়
আমি অবিশ্রান্ত শোক দেখেছি
দেখেছি একজন ফুর্তিবাজ যুবতী কিভাবে পরিণত একজন সন্দেহপ্রবন নারী।
তাই আমি উষ্ণতা খুঁজি না সেখানে
অপেক্ষা করি আসন্ন বিশ্বযুদ্ধের চাদরের আড়ালে
অপেক্ষা করি বারুদ বুকে বিস্ফোরণের
অপেক্ষা করি ধ্বংসের।
আমার এই কবিতা সাজানো প্রগতির জন্য নয়
আমার এই কবিতা কোনো সময়ের প্রতিবাদ নয়
আমার এই কবিতা রক্ত
আমার এই কবিতা সত্যি মানুষ
আর অবিশ্রান্ত বারুদের যা চোখের আড়ালে অন্ধকারে ঘটে প্রতিটা নির্ঘুম রাতে
ষড়যন্ত করে একটা বিশ্বযুদ্ধের।
ভালোবাসায় গুলজার
ভালোবাসায় গুলজার
... ঋষি
"Bahut mushkil se karta hoon teri yaadon ka kaarobaar,
munaafa kam hai lekin guzaara ho hi jaata hai!"
.
গুলজার সাহেব কলমটা নামিয়ে রাখলেন
আমার মতো হাজারো প্রেমিক তকদির লিখতে শব্দ বেছে নিলো এই শহরে ,
শহর বলতে সময় বোঝে শক্ত একটা নিয়ম
আর শহরের বাইরে পুরোটাই বোধহয়
তোমার মতো সবুজ।
.
আমি দেখি পদ্মাপাড়ে সেই মাঝি নৌকা
বিয়াল্লিশের বারুদ থেকে খুঁজে পাওয়া সেই সন্তানের মৃত মুখ ,
ভালোবাসার সুখ।
ভালোবাসা দেশ
ভালোবাসা সময়ের সুখে বেঁচে থাকা
ভালোবাসা সন্তানের মুখের হাসি
আর
ভালোবাসা " তুমি " শব্দটার ভিতর লুকোনো সময়ের কাঁটা।
.
গুলজার সাহেব আবার লিখলেন।...
" Us umra se humne tumko chaha hai,
Jis umra mein hum jism se waqif naa the…!!!"
অদ্ভুত সুর
স্মরণীয় শব্দদের ভিড়ে প্রেম যেন ঈশ্বর হয়ে নেমে আসে হৃদয়ের স্তরে ,
আমার মাঝে মাঝে মনে হয় হৃদয়ের বোধহয় অনেকগুলো স্তর আকাশের মতো
যেমন যন্ত্রণার ,
একটা পেরেক যখন ঢুকতে থাকে ,ঢুকতেই থাকে হৃদয়ে
তখন বোধহয় ভালোবাসা গীর্জার দেওয়ালে ধর্ম বলে খোদাই হয় ,
মসজিদে হয় আজান
আর মন্দিরে সন্ধ্যা আরতি।
আর আমরা যারা ভালোবাসার জড়তায় জড়োসড়ো
মৃত্যু বুকে নিয়ে বাঁচি ,
আসলে ভালোবাসতেই পারি না
তারা শহরে রাস্তায় জলছবি আঁকি সুখী জীবন।
.
(গুলজার সাহেবকে স্মরণ করে ,শব্দের জলছবি ভালোবাসায় )
কয়েকশো মাইল
কয়েকশো মাইল
... ঋষি
.
কয়েকশো মাইল হাঁটার পর
পার করার পর অজস্র মাইলফলক আর দূরত্বের হিসাব
না কোথাও পৌঁছোয় নি আমি।
আমার বারোতম প্রেমিকা যাওয়ার সময় গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছিল জপের মালা
আজ অবধি আমি সেই অদৃশ্য মালার জপ করে
চলন্তিকা কুড়িয়ে বেড়াচ্ছি।
.
আমার বীর্যের সন্তানরা
আমি জানি না তারা সংখ্যায় কত ?
কতজন জীবিত কিংবা মৃত ?
আমি স্ত্রীযোনি নিয়ে কয়েকহাজার সংবাদ লেখার পর
ব্লকবাস্টার জনপ্রিয় কোনো মুভি কিংবা মরুভূমির ওয়েসিসের কাছে দাঁড়িয়ে
আজও খুঁজি তৃষ্ণা।
.
এ সব কথা বলতে নেই লোকসমাজে
তাই যন্ত্রনাদের শব্দ আমার দিনলিপি কখন যেন কবিতা হয়ে ফোটে ,
আজ অবধি কোনো নারী আমাকে বলতে পারে নি
আমি তোমার সবটা ,
তোমার ভিতরে বাইরে যত আগুন আমাকে পোড়াও ।
প্রশ্নের চকমকি খুলে তাই আমার কয়েকশো কবিতা
চলন্তিকা তোমাকে খোঁজে
খোঁজে আগুনের ভিতর ,
খোঁজে মনের ভিতর
খোঁজে মুহূর্তের গভীরে
শরীর নয় ,হৃদয় নয়, আসলে পুড়ে যাওয়া ছাই
আর মুঠোর ভিতর হাতের রেখা
এই আমি
বদলাতে চাই না।
.
আরও হাজারো কয়েকশো মাইল আমি হাঁটতে রাজি আছি
চলন্তিকা তোমার জন্য ,
কোনো ব্রোথেলের দরজা খুলে দমকা হাওয়া
কোনো কবিতার শব্দ খুঁড়ে প্রতিবাদী জেদ ,
কোনো সময়ে রক্তগঙ্গা পেরিয়ে আবার ক্রুসেড।
একদিন যদি অপেক্ষায় ফুরিয়ে বিকেল
তারপর সবসময়
পৌঁছনো যায় তোমার পাঁচফোড়নের গল্প গুছিয়ে চলন্তিকা বাঁচার গন্ধে।
Wednesday, March 24, 2021
ছাইদানি খুঁড়ে রাষ্ট্র
ছক্কাপুটের গল্প
Tuesday, March 23, 2021
অনিন্দ্য(১২)
অনিন্দ্য (১১)
অনিন্দ্য (১০)
চাকরীটা হয়ে গেছে তাদের
Monday, March 22, 2021
ভাতের পাশে ছাই
দেশপ্রেমিক সংবাদ
Sunday, March 21, 2021
তথাগতকে করা প্রশ্নগুলো
মৃত্যুর ফতেয়া চাইছি
সভ্যতা আর নগ্নতা
চলন্তিকা
এ কোন সময়
ক্রিস্টোফার মাদাস্কার
সংসারের দাঁড়িপাল্লা
ভায়োলিনের সুর
আরব্য রজনী
রং মিলান্তে
তোমাকে ভালোবাসতে
Thursday, March 18, 2021
অসহায়
অসহায়
... ঋষি
আমার বুকের শৈশবের গাণিতিক ভুল
আমার মাথার উপর তাই পাথরের মোটা মাথা।
আমার হৃদয়ে আইনস্টাইন পথ রেখে পথ বাতলায়,
এই সভ্যতায় রাবন সত্যি হতে পারে
সত্যি হতে পারে পাঞ্চালি
কিন্তু ধর্ম
কিন্তু বিভেদ
কিন্তু বৈষম্য সত্যি নয়।
.
সত্যি হতে পারে সোনাগাছির দালালের কাছ থেকে খুঁজে পাওয়া কাশ্মীরি মেয়েটা
সত্যি হতে পারে বনগাঁ লোকালের ডেলি প্যাসেঞ্জারট্রেনের সেই ফেরিওয়ালা
কিংবা গড়িয়াহাটের সেই বাচ্চা ভিখারি ছেলেটা যে ফুল বিক্রি করে
কিন্তু আমার কাছে ভীষণ মিথ্যা মানুষের নপুংসক বেঁচে থাকাগুলো
টেস্টটিউবে পালিত সেই সব ভয়গুলো
যেগুলো মানুষ মেরে ফেলে দৈনন্দিন ,
মানুষ ওয়াশিং মেশিনে কাপড় পরিষ্কার করে
অথচ মানুষের মন পরিস্কারের পদ্ধতি মানুষের জানা নেই।
.
প্রেম ,বিশ্বাস ,ঈশ্বর শব্দগুলোকে মানুষ প্রশ্রয়ে গাছ করে
সময়ের কুত্তাগুলোকে মানুষ প্রশ্রয়ে জংলী চিতা বানায় ,
আমি অবাক হয়ে দেখি মানুষের কোনো ভবিষ্যৎ নেই
লাথ খাওয়া মানুষগুলো বড় অসহায়।
বড় অসহায় এই সময় সদ্য স্বামী হারানো সেই যুবতী সকলের সংসারে
বড় অসহায় ডবলশিফট করা রাত করে ফেরা মেয়েটা ,
বড় অসহায় সেই সন্তান যার পিতৃপরিচয় অজানা
সময় সবচেয়ে বড় অসহায় ধৃতরাষ্ট্র, এই সময়
অসহায় বাংলা ,বিহার ,উড়িষ্যা ,চব্বিশ পরগনা ,
আর অসহায় মানুষ
ঈশ্বরের সাধনায়
পাপ আর পুণ্যের আরাধনায় জীবন কাটায়
অথচ বোঝে মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো মিথ্যে
আর ভয়
যা মানুষ শব্দটাকে উল্টো দিশা দেখায়।
কলকাতা সাক্ষী
কলকাতা সাক্ষী
... ঋষি
তোমার ভাবনার সমস্ত বিপদসীমা পার করে
অবশেষে তুমি এসে দাঁড়াবে আমার পাশে ,
একটা ঝাঁ চকচকে ছুরি ,তুমি যদি এফোঁড় ওফোঁড় না করতেই পারলে
তবে কি ভাবে বললে ভালোবাসি ?
সাজানো পোশাক ,সাজানো হাসি ,ধোপদূরস্থ তোমার বাইরেটা
আজকাল নকল হয়ে যায় আরো
ভালোবাসির মতো মিথ্যে কথা আর কি হতে পারে ?
.
এ ক লাইন লিখে কবি গিয়ে দাঁড়ালেন টেমস নদীর ধরে
লন্ডনের এই জায়গাটায় গঙ্গা খুঁজে পেতে পারে কবি ,
কিংবা ওল্ডটেস্টামেনের গল্পটা লেখা যেতে পারে
সত্যি বলতে কি কেউ জানে না ,
কবির কলম থেমে যায় অপার মুগ্ধতায় কিংবা ভালোবাসায়
কিন্তু কবির কলম থামে না ভালোবাসা বলে মিথ্যা কল্পনায় ।
.
চলন্তিকা আমি তোমায় বলি
আমার সারাজীবন কেটে গেছে জীবনের চিলেকোঠায় একলা এই শহরে ,
এই কলকাতার অলিতে গলিতে আমি একলা চড়াই
যার চড়াই ,উৎরাই ,ফুঁ উড়ে যাওয়া
ভাবনা !
আচ্ছা সত্যি কি ভাবনা বিক্রি হয় এই শহরে ?
ভাবনা বিক্রি করে ,কবিতা লিখে টাকা
তথাস্তু
শব্দের হারিয়ে যাওয়া আমার শুরু থেকে শূন্যস্থান
সবটাই তোমায় দিলাম,
কথা দিলাম
আমার মৃত্যুর পর আমার কবিতারা বিক্রি হবে হৃদয়ের দামে ,
সেদিন কেউ কথা বলবে না
শুধু কলকাতা সাক্ষী
চলন্তিকাকে আমি হত্যা করবো এক ঝাঁ চকচকে ছুরি দিয়ে
শেক্সপিয়ারের ওথেলো নাটকে।
মানুষ বদল
মানুষ বদল
... ঋষি
এই শহর
এই সময় কখনো পিছনে ফিরে তাকাতে চাই নি
আমি অবলীলায় ছুঁড়ে ফেলেছি আমার যৌবন তোমাকে স্মরণ করে ,
গঙ্গার ফেরিঘাটে একলা দাঁড়িয়ে
যেদিন ফিরে এসেছিলাম আমি নিজের মৃতদেহে আগুন দিয়ে
সেদিন বুঝছিলাম
এই শহরে ,এই সময়ে ,এই সভ্যতায়
আমি ছাড়া কেউ সত্যি নয় ,সবটাই ক্ষণস্থায়ী।
.
আমাদের ভাবনাদের তুমি শাড়িতে মুড়ে ওয়াশ ডাস্টবিনে ফেলে দেও রোজ
আসলে এক শাড়ি পরে কেউ দিনের পর দিন থাকতে পারে না ,
ভাবনার পটে চিরকাল শিল্পীর আঁকা ছবি
একই থাকে না ,
সময়ের সাথে রঙের গভীরতা কমে
কমে যায় মানুষের জীবন থেকে একটা করে দিন সময়ের বালিঘরে।
.
এই শহরের প্রতিটা ফুটপাথ
প্রতিটা চায়ের দোকান ,প্রতিটা ভিক্ষার ঝুলি ,প্রতিটা মানুষ
শুধু দৌড়ে চলেছে নিজের থেকে দূরে
দিন প্রতিদিন বাড়তে থাকা গঙ্গার জলে দূষণমাত্র
মানুষকে মনে করাতে চাই মৃত্যু ,
অথচ মানুষ খেলে চলে খেলনাবাটি নিজেদের নাটকে।
সেদিন ফেরিঘাট ছেড়ে চলে গেছিল সময়
সেদিন ফেরিঘাটে আমি ফেলে এসেছিলাম গত পুজোর দুর্গার কাঠামো
আমি নিজেকে ,
আর সেই মেয়েটাকে।
তোমরা যাকে ভালোবাসা বলে পুজো করো রোজ
আমি তাকে সময় বলি,
আমি ভাবি যুগের গর্ভে শুয়ে থাকা মানুষের চোখের জল
আর মানুষেরা ভাবনারা
মানুষকে বদল করে।
কুত্তা কাওয়ালি
কুত্তা কাওয়ালি
... ঋষি
চলন্তিকা
আমি যখনি ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছি ,সরে আসতে চেয়েছি
প্রথম বুলেটটা ছুটে এসেছে তোমার রিভলভার থেকে।
পয়েন্ট রেঞ্জে আমার শহর
দুপ করে জ্বলে উঠে মরবার আগে জল চেয়েছিল
অথচ আমার সারা শহরের দেওয়ালে কপাল লিখন।
.
গভীর রাতে তোমার অভিমানের কাঁচগুলো কুড়িয়ে নেবো বলে
আমি নেমে এসেছি এই শহরের ফুটপাথে ,
অবাক হয়ে দেখেছি কিছু অশরীরি এই শহরের অন্ধকার ঈশ্বর
শুধু গদি বদল করে
অথচ তাদের দেওয়া কথায় সময়ের বদল কই
সব বকবাস হ্যা
ইস দুনিয়ামে কুত্তা হোনা জরুরী হ্যা
নেহিতো মত তুম্হারে দরবাজেমে।
.
চলন্তিকা
ঘুম হয় না আজকাল ,
প্যান্টের যে জায়গাটায় পুরুষের ধর্ম রাখার সম্ভাবনা
সেখানে আজকাল অন্যের দখলদারি ,
মনের যে আইল্যান্ডে হেলিক্যাপ্টারে জেনিফা লোপেজের নামবার কথা ছিল
সেখানে আজ এক সাধারণ গৃহস্থ রাষ্ট্র ভিক্ষা করে।
মিশনারি কলেজের সেই মেয়েটাকে তাকিয়ে দেখতো বেঙ্গলি মিডিয়াম ছেলেটা
কিংবা বাবাই যাচ্ছে স্কুলে অবাক চোখে তাকিয়ে অনাথ কাজের মেয়েটা,
এই সব ওপর নিচ
তলঠাপ জীবন
শালা বাপি বাড়ি যা বলে ওড়ানো যায় না
শুধু উড়ে যায় পাশের বাড়ির মিরা বৌদির আঁচল
টিভি সিরিয়ালের চোখে।
.
চলন্তিকা
আমি ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছি ,আসলে পালতে চেয়েছি
তুমি বলবে ভীতু গৃহস্থ বাঙালি
সে ভালোবাসা কিংবা যুদ্ধ দুটোতেই রবীন্দ্রনাথ সেজে থাকে
কিন্তু বুকের পাঁজরে কি সেই দম আছে
বুকে পেতে হজম করতে পারে সময়ের বারুদের গরম।
পারছি না
পারছি না
...ঋষি
মাঝ শহরে একলা দাঁড়িয়ে আছি
ভেসে আসছে সাধারণ ঢেউ একটা প্রতিবাদী ঝড়
মানতে হবে ,মানতে হবে
আমাদের দাবী মানতে হবে ,
কৃষকের জন্য ,শ্রমিকের জন্য ,মানুষের জন্য
সর্বোপরি ঈশ্বরের জন্য।
.
আমি ত্রস্ত তখন
আমি শুনতে পাচ্ছি সেই অসহায় যুবতীর চিৎকার
বাঁচাও। ..বাঁচাও।
আমি দেখতে পাচ্ছি চার ,পাঁচটা নেকড়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছে যুবতীর টুকরো শরীর
ওই যে স্তনটা হলো বিহার ,ওই যে উরুযুগল ঝাড়খন্ড
ওই তো ,ওই তো গলাটা ,আমার পশ্চিমবঙ্গ।
.
আমি কান চেপে বসে আছি একলা ফুটপাথে
আমি শুনতে পারছি রশিদ কাকার ঘরের ভিতর থেকে একটা তীব্র দহন ,
কান্নার শব্দ ,কাকিমার আকুতি
লাগছে তো ,খুব লাগছে ,আর পারছি না
আর ... পারছি ...... না।
রশিদ কাকা বলছে শালী গলা টিপে মেরে দেব
ভাত ,কাপড়ে পুষি ,তোকে পুষতে টাকা লাগে না।
.
আমি আর পারছি না
চিৎকার করতে ইচ্ছে করছে
দূর থেকে দেখতে পাচ্ছি অনেকগুলো মুঠোবন্দি হাত আকাশের দিকে ,
শুনতে পাচ্ছি শব্দগুলো
মানতে হবে ,মানতে হবে
আমাদের দাবী মানতে হবে ,
কৃষকের জন্য ,শ্রমিকের জন্য ,মানুষের জন্য
সর্বোপরি ঈশ্বরের জন্য।
গলার কাছে খুব কষ্ট হচ্ছে ,কে যেন চেপে রেখেছে গলা
চোখ খুলে দেখি পাড়ার তারা গুন্ডা আমার গলাটা চেপে রেখেছে
বলছে দেখবি প্রতিবাদ কাকে বলে ,
আমার মায়ের গায়ে হাত দিচ্ছে ,মায়ের বুকের দিকে .....
পারছি না ,পারছি না
পারছি না ......
আমার ঈশ্বর মৃত ,আমি মৃত ,আমরা মৃত
এই সময়ে।
অনুভব
অনুভব
... ঋষি
বৌদিতে ডুব দিলাম
চলন্তিকা বললো কুত্তা ,
তোমাকে ছেড়ে দিলাম মাঝ রাস্তায় ঘুমের ঘোরে
তারপর পাথর ভেঙে শাবল খুঁজছি আমি ,
চলন্তিকা বললো দুঃখ পাস না বাবু
আসা যাওয়া সেই তো জীবন।
.
পরশু গেছিলাম বন্ধুদের কাছে
পচা বললো তুই ফাটাফাটি স্মার্ট হয়ে যাচ্ছিস ,
অরিন্দম বলেছিল কোনো এক সময়
আমার জীবন একটা গল্প ,সাতরঙা আকাশের রামধনু।
শুনেছি মানুষের নাকি দুটো জীবন আছে
অনেকটা কয়েনের এপিঠ আর ওপিঠ ,আলো আর অন্ধকার।
.
চলন্তিকাকে প্রশ্ন করি নি কোনোদিন
বৌদি শব্দটা অন্ধকার না আলো ,
শুধু মনের ভাঁজে যখনি আমি ৰামধনু দেখি ,দেখি তোমায় চলন্তিকা
তুমি কি তবে ?
শুনেছি নারীরা যার কাছে আশ্রয় খোঁজে সে হলো পুরুষ
তবে পুরুষ কেন আশ্রয়হীন থাকে।
কাল রাতে আমার স্ত্রী বলছিল তুমি এবার আমার খামারে ঘোড়া হয়ে যাও
দিনকাল ভালো না ,
আমি বলেছিলাম জুতোর কালি মাখিয়ে দেও আমার গালে
আমি বিচ্ছিরি হতে চাই।
.
বৌদি শব্দটা বড় অশ্লীল চোখে
কিন্তু কি করি বলতো আমার কাছে নারী যে বড় অশ্লীল ,
ছি ছি জন্মের নগ্নতা কি বলা যায় ,
জানি ভুল ভাবছে সময়
সত্যি বলতে কি আমার বাইশতম প্রেমিকা গভীর সঙ্গম কালে
আমার কাছে চেয়েছিল শুধু শরীর ,
তাই শরীরটা দান করেছি তাকে
আর অনুভবগুলো এতদিন জমানো ছিল চলন্তিকা তোমার জন্য।
Wednesday, March 17, 2021
বসন্ত
বসন্ত
... ঋষি
বসন্ত এসেছিস
বেশ তো ,বোস না ভাত ,কাপড়ে
বোস না দরজা খুলে ফাগ ,আবিরের কাব্যে নিরিবিলি একলা ,
হাঁটু ছুঁয়ে থাকা থুঁতনি " দ " এর মতো হৃদয়ের জানলায় উঁকি মারা মুখ
একার সফর
নির্ভেজাল অনন্তের ফাঁকে অন্য দিন।
.
বসন্ত এসেছিস
রেডিওতে বেজে চলেছে পুরোনো সে রাজকাপুরের গান
সরগম আর সঙ্গম ,
অনবদ্য সময়ে বসন্ত তুই আসলে সবচেয়ে ভিখারি
তবে তুই ফুটপাথে থাকিস রাজার মতো
অন্য সাম্রাজ্যে।
.
প্রসেনজিৎ স্যারের কথা মনে আছে
বাদ দে আজ মন ভালো নেই ,
নৈঃশব্দের বুকে কখনো সখনো শব্দের জলকণা ভাসে মায়াবী নৌকো
মনে পড়ে প্রেম মানে মায়াবী চোখ
দ্যাখ, উজ্জ্বল আকাশে তাকালে এখনও কত ছায়া
ফাগুন, আগুনটা উশকে দে
হাত পুড়িয়ে আজ সেঁকে নেবো হৃদপিন্ডে রুটি
খিদে।
এখন তো কোনো কবিতা নেই
ধ্বনি নিয়ে খেলে লোকে, আরো কতশত অ্যাজেন্ডা
নদীনালা ,শরীর ছুঁয়ে
আজ শুধু কবিদের মনখারাপের কাব্য,
বসন্ত তুই চারালি আটত্রিশ
এখন শুধু দেন ফুরোবার গান
সে যাই হোক
এলি তাহলে তবে , এসেছিস ... একটু বোস্ ...
পোশাক
পোশাক
,.... ঋষি
পোশাক নিয়ে যত সমস্যা মানুষের
কোত্থেকে কেনা হলো ,কোন ব্র্যান্ড ,কত দাম,ফিট হলো কিনা
কত সমস্যা ,
তাই মাঝে মাঝে মনে করি বেকার পোশাক খুলে রেখে
হৃদপিন্ড নিয়ে ছুট্টে পালাই।
.
মানুষগুলো সব আফ্ৰিকান উটপাখির দেশে একলা থেকে যায়
পোশাকের ওঠাবসা ,পোশাকের কথা বলা ,পোশাকের আসা যাওয়া
সমস্যা আর সমস্যা
পাখির কাছে খোলা আকাশ সে খাঁচায় থালেও থাকে
খাঁচার বাইরে থাকলেও থাকে
কিন্তু মানুষ বসছে আকাশের মাহাত্ত।
.
নিয়ম করে সকলে বাজারে যায় ,অফিসে যায় ,বসে চাপে
সময়মতো কপাল করে কেউ কেউ বাসের জানলার ধরে সিটটা পেয়ে যায়,
পোশাক শুধু উপস্থিতি খোঁজে
অথচ হৃদপিন্ড খোঁজে বাসের জানলার বাইরে সেই ফুটপাথ
হয়তো স্মৃতি
কিংবা বিস্মৃতি।
স্মৃতিদের আবার ভীষণ দোষ
ওরা পুরনো হলেও বারংবার ফিরে আসে হ্যাংলার মতো
আর উৎপাত।
আসলে মানুষের সমস্যা হলো
মানুষের পোশাক নিয়মিত একটা ডেইলি জার্নি
আর মানুষের হৃদপিন্ড শুধুই বাঁচার লোভ।
.
কি মশাই বুঝলেন না তো
আমি যে পোশাকের কথা বলছি তার বয়স হয়
চামড়ায় ভাঁজ পরে
কিন্তু পুরনো হলেও সেলাই করে প্রত্যেককে মানিয়ে নিতে হয় ,
না মশাই বদলানো যায় না ,
আর হাজার বিরোক্তিতেও খুলে ছুঁড়ে ফেলা যায় না।
মাস্টার স্ট্রোক
মাস্টার স্ট্রোক
... ঋষি
চলন্তিকা আমি মাটি ফুঁড়ে একটা বল্লম ঢুকিয়ে দিলো
আমার কষ্ট হলো ,আমি চুপ
আমি চলন্তিকার ভিতর ফিট করে দিলাম একটা টাইমবোম
চলন্তিকা অপেক্ষায় থাকলো ,কিন্তু সেও চুপ ,
আসলে ভালোবাসলে কষ্ট বলতে নেই কাউকে
শুধু একসাথে থেকে অনুভব করতে হয়।
.
আমি শুধু চুপ থেকে দেখলাম চলন্তিকার গম্ভির মুখ
আমি হাসাতে চেষ্টা করলাম
বললাম জানো তো এতক্ষন বৃষ্টি হচ্ছিল শহরে ,পশ্চিমে মেঘ ছিল
এখন পরিষ্কার
চলন্তিকা হাসলো একটু বললো
কষ্ট লুকোতে হবে না আমার কাছে ,অভিনয় দরকার নেই।
.
আমি চুপ
কি করবো ভাবছি
ভালোবাসলে এমন কিছু পাওয়া যায়
যেমন আমার মাটিতে একটা বল্লম চির কাল রক্ত বৃষ্টি ঘটে
চলন্তিকার ভিতর একটা টাইমবোম সারাক্ষন ভয় দেখায় ,
এ এক অদ্ভুত ঘটনা ,
ভালো না বাসলে, এইসব অদ্ভুত ঘটনা কি ঘটতে পারে?
চলন্তিকা বললো,চলো তবে আরো ভালোবাসা যাক
ভালোবাসার আরো ,এটাও প্রশ্ন ?
সময় আরো অদ্ভুত
আরো বেশি অদ্ভুত কি ঘটায় দেখা যাক
"দেখা যাক"
‘দেখা যাক’
দেখি সেই বল্লম আর টাইমবোম পাশাপাশি বসে আছে
রক্তাক্ত হচ্ছে
মাটির শিকড়ে লেগে আছে প্রাচীন কোন মৃত শব
আমি আর চলন্তিকা এইবার ভাবছি
এবার নিশ্চয় মাস্টার স্ট্রোক ভালোবাসার
এইবার নিশ্চয়। ...
পুরুষের চোখে
পুরুষের চোখে
... ঋষি
নারীরা ততক্ষন সম্মানীয় যতক্ষণ সময়ের চোখ
নারীরা ততক্ষন সুন্দরী যতক্ষণ পুরুষের চোখ
নারীরা ততক্ষন পর্দানশীন
যতক্ষণ সময় আর পুরুষের চোখে
ভালোবাসা থাকে।
.
অদ্ভুত এই কাব্য
মুহূর্ত থেকে ঝরে যায় সময়ের বিষ
তোমাকে ছুঁয়ে যায় আঙুলগুলো আসলে পুরোনো বাড়ির কার্নিশ
জানি এই কাব্যের লুকোনো অভিশাপ তোমাকে ছোঁবে না
আমি চাও না ছুঁক তোমায়
কোনো সময়ের পুরুষের অভিলাষী চোখ।
.
আমার চোখে লাম্পট্য ছুঁয়ে আছে
বাঁকুড়ার সেই আদিবাসী ঘোড়া যে লাল মাটির দেশে ধুলো উড়িয়ে
অন্ধকার করে পৃথিবী।
সেই সুযোগে আমি সিঁদ কেটে চলে যাই তোমার পূর্ণাঙ্গ চাঁদে
কান পেতে শুনে নি
নারী ও পুরুষ তফাৎ।
একদিন আমিও ছুঁয়েছিলাম তোমাকে
অভিলাষী বৃষ্টির জলধারায় তখন পাহাড় থেকে গড়িয়ে নামা নুন
তোমার সময় থেকে চুষে খেয়ে নিয়েছি তোমার শেষ রক্ত সেদিন
আর কোনোদিন আহত হবে না তুমি।
জানি, এ কবিতার ভেতর লুকিয়ে থাকা মরণরোগ
একফোঁটাও ভেজাবে না সময়ের রহস্যময়ী মায়াবী চোখ,
তবু আমি জানি
তুমি ততক্ষন সুন্দরী
তুমি ততক্ষন প্রেয়সী
যতক্ষণ পুরুষের চোখে প্রেম থাকে।
ছায়ানট
ছায়ানট
... ঋষি
অনন্তকাল ধরে এই পরিচয়
আজও আমাকে বলে সেই ছায়ানট তোমাকে কি বলে ডাকবো ,
প্রেমিক যখন তার পরিচয় হারায়
প্রেম যখন গভীরে ছত্রিশ কোটি ঈশ্বর ছুঁয়ে আবদার করে
সাথে বাঁচার
তখন প্রেমের কি সত্যি পরিচয় থাকে।
.
কিউমুলাস মেঘের নিতম্ব ছুঁয়ে এ শহর আজ দ্বিধাগ্রস্থ
তোমারে কি নামে ডাকব,
ঈষৎ রোমশ আভা তোমার স্তনের পরিচয়ে ,
তোমার চোখের বিদ্যুৎ বলে দেয়
আমার মৃত্যুর কারণ ,
মানুষ তো জানে সত্যাভিলাষে কোনো ষড়যন্ত্র নেই
শুধু সময়ের ষড়যন্ত মানুষকে গ্যালিলিও করে।
.
তবুও তো উত্থান থাকে
তবুও তো আঘাত থাকে
হঠাৎ শহর বুক ছুঁয়ে কোনো উষ্ণ মেঘ
উড়িয়ে নিয়ে যেতে চায় তোমার খোলা চুল ,শাড়ির ভাঁজ ,
আসলে প্রকৃতি শুধু বুক বোঝে
বোঝে ঝর্ণার নগ্নতায় ভিজে ধরা শ্যাওলা ধরা পাথর
তপস্যা।
আজ আমাকে বলে সেই ছায়ানট তোমাকে কি বলে ডাকবো
নিহত ডায়েরী জুড়ে পুনরায় জেগে ওঠে গুল্ম ও লতা
হঠাৎ পরিচয় খোঁজে
প্রেম থেকে প্রেমিকার দূরত্ব
দূরত্ব সময়ের থেকে ,দুর্বলতার
সেখানে আমার মতো কেউ কেউ দেশলাইকাঠিতে সময় পোড়াতে পারে ,
খুব অনায়াসে মৃত মুখে আগুন দিয়ে
ফিরে আসতে পারে জন্মান্তরে অন্য শরীর নিয়েছে
কারণ শরীর হলো পরিচয়
কিন্তু শরীরের পরিচয় প্রেম নয় কখনো।
সর্বনাশী কবি
সর্বনাশী কবি
... ঋষি
.
গুগল ইমেইল বক্সে লুকোনো ছবিগুলি
বৌদি নিজের সমস্ত দেওয়াল আলমারিতে পাট করে রাখে ,
মমতা শব্দটা নারীদের দত্তক।
বাথরুমের দরজাখুলে শাওয়ারের উষ্ণতা খুলে দেয়
আমার কবিয়াল গানে তখন
সর্বসুখ ,
না কোনো ফুটো থাকে না কবির দেওয়ালে
বা বাথরুম টাইলসের ওপাশে
থাকে চোখ।
.
সর্বনাশ হলো কবি সব দেখতে পায় ,
স্নানাগারে কবি তখন একলা দাঁড়িয়ে ঘামছেন
অদ্ভুত দৃশ্য
বুড়ো শালিখের দরজায় আজকাল অদ্ভুত ভাবে রৌদ্র এসে পরে।
প্লিজ ভুল ভাববেন না কবিকে
ছবি আঁকতে গেলে প্রকৃতিকেও নগ্ন হতে হয়
যা সবাই দেখেতে পায়
অথচ কবি চশমা চোখে দেখতে পায় স্নানরত বৌদিকে।
.
পাপ ,পুন্য ,মুলাকার ,মহব্বত ,কাম ,রব
না হে পাঠক কবির চোখে শুধু শব্দের চালচিত্রে অদ্ভুত সব ছবি ,
কবির স্ত্রী আছে স্ত্রী নেই' সেই তর্কে না গিয়ে লাভ নেই আজ;
আমরা বরং ঘুরে আসি বৌদির স্নানের ঘরে।
নীল আকাশে বৃষ্টি কি করে একজন পূর্ণাঙ্গ নারীকে ভিজিয়ে চলে ,
মতবাদ চলতে পারে
টমেটো ডাল ,চিংড়ি পোস্ট ,পাকা মাংসের গন্ধ
হঠাৎ বৃদ্ধ কবি চোখ বোজেন
যেনো কবি কৈশোরের পানকৌড়ি
ডুবে যান হঠাৎ তার নিজস্ব সম্পর্কের নারীগুলোয়।
তারপর চোখ খুলে দশ হাতে লিখতে থাকেন দর্শন
ভেজা চুল,ঝোলা বুকের মধ্যে ধুকপুক,
ইশ বড় অশ্লীল দাদারা ,মেরে চোখ খুলে নিতে চান কবির
প্লিজ একবার নিজের ঘরে দেখুন বৌদি সুরক্ষিত।
.
শুধু কবির চোখের শ্লীলতা শব্দটা বেমানান
শুধু শব্দের ঝংকারে কবি নগ্ন করতে পারে সময়কে যখনতখন
কিংবা ছবি আঁকতে পারেন
কি করবেন ভাবছেন ?
কবিকে জেলে পাঠাবেন বৌদিবাজির দায়ে
নাকি ব্রাত্য করবেন ,
কিন্তু কলম তো থামবে না দাদা
সে তো লিখেই ফেলবে দৃশ্যের ভিতর লুকোনো দর্শন।
Tuesday, March 16, 2021
ডিলো
হঠাৎ সুখে
ঠিক এতটুকু
গান্ধীজির বাঁদর
আমার কিছু করার নেই
Monday, March 15, 2021
গৃহপট
মেরা নাম্বার কব আয়েগা
Sunday, March 14, 2021
বারো ইঞ্চি
নারীবাদ
কেয়ার অফ শৈশব
Saturday, March 13, 2021
মুক্তি
গরম কাল
সুন্দরীলাল
বাড়ি
হুট করে সরে আসার পর স্পর্শের আকাঙ্খা বাড়ে আমাদের প্রত্যেকের আলাদা বাড়ি অথচ ঘর একটাই সেই ভিতরের ঘরে বাড়তে থাকা আলাপ আমাদের আরও কাছে আনে , ...
-
বৌদি তোমার জন্য .... ঋষি ==================================================== তোমাকে চিনি আমি বৌদি ঠিক আমার বাড়ির উল্টোদিকে ছাদে তুমি স...
-
মুখাগ্নির মন্ত্র ... ঋষি . এক শতাব্দী নিজস্ব অন্ধকারে লুকিয়ে থেকেছি এক শতাব্দী লাট খেয়ে পরে থাকা মৃতদেহ কুড়িয়েছি কুড়িয়েছি ভনভন পচে যাও...
-
নোংরা মেয়ে ... ঋষি মেয়েটা দাঁত কেলিয়ে শাড়ি সরিয়ে দাঁড়ায় যার যোনিতে বাস করে অজস্র বীর্যপুত্রের ছড়ানো সমাজ। মেয়েটা পথ চলতি লোকের গা...