রিংটোনে যা বাজে,
তা আসলে মাথার ভিতর শুঁয়োপোকার লিখে চলা কবিতা।
শুনলাম, বেশ কিছু জোঁক নাকি আবেদন জানিয়েছে
প্রজাপতি হতে চেয়ে।
ওদের আবেদনপত্রগুলো ছড়িয়ে পড়ছে
শুঁয়োপোকাদের অবশ্য এসব নিয়ে মাথাব্যথা নেই।
এদিকে এআই বিশ্লেষণে ধরা পড়েছে,
ময়ূরের নাচের সঙ্গে বর্ষার বৃষ্টির কোনো সম্পর্ক নেই
ওটা নেহাতই শেয়ার বাজারকে প্রভাবিত করার একটা চাল।
প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে যে,
শুঁয়োপোকাদের প্রতিবাদ মিছিল করার
কোনো মৌলিক অধিকার নেই।
তাই এক ডালে পাঁচটির বেশি শুঁয়োপোকা থাকলে
সেটা বেআইনি বলে গণ্য হবে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী,
রিংটোন থেকে ইদানীং শুঁয়োপোকাগুলো বেরিয়ে পড়ছে মানুষের মধ্যে,
তাই গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে ক্রমশ।
বাড়ছে মানুষের গায়ে মানুষের জন্য চুলকানি।
দাবি উঠছে—
সংবিধানে লেখা হোক শুঁয়োপোকার নীতি।
এদিকে ক্রমশ আমার রিংটোন বাজছে।
মাথার ভিতর কে বোঝাতে চাইছে—
অপেক্ষা।
অথচ কবিতার শব্দগুলো
শুঁয়োপোকার মতো ক্রমশ এগোচ্ছে।
তবে কি প্রতিমুহূর্তে
এখন শুধু প্রজাপতি খোঁজা?
.
শুঁয়োপোকা
ঋষি


