একদিন কবিতারও বার্ধক্য আসে
কবিতাও সময় পেরিয়ে ক্রমশ অগ্রসর হয় নতুনের কলমে
একদিন ধমনীতে সময়ের রক্ত ধীর হয়
গতি শ্লথ হয় সম্পর্কে শুয়ে থাকা অধিকারের।
তারপর একদিন আমি কখন কবিতা থেকে বেরিয়ে পড়ি বনেবাদাড়ে
তারপর কেন যেন ঘন ঘন প্রেমে পড়ি অবেলায়
তোমার কথা বলতে গিয়ে দূর নদীতে স্মৃতিরা মাঝি নৌকোয়
টিমটিমে আলো হয়ে দুলতে থাকে।
.
তারপর কবিতা আসে
তুমি শান্ত, ক্লান্ত চোখে চেয়ে থাকো এ শহরের মানুষগুলোর প্রতি
তারপর কখন যেন গলার একদা টান টান চামড়ায়
লাভ বাইটের ফিকে দাগ আরও ফ্যাকাশে হয়ে আসে।
বয়েস হলে, গনগনে কবিতারা ঠান্ডা হয়ে আসে
বিপ্লবী শব্দগুলো মিনিবাসে করে রোজ আপিসে যায়,
ক্যান্টিনে চা খায় একা একা
ইদানীং কবিতারাও মানুষ খোঁজে এ শহরে মানুষের মাঝে।
.
তারপর কবিতারাও একা হয়ে যায়
আমার মতো রোজ অফিস থেকে ফিরে চাল ধুয়ে ভাত বসায়
আসলে একলা মানুষের ছকভাঙা ছন্দগুলো
ঘাড় গুঁজে এ শহরে কবিতা হয়ে হিসেবে কষে অপেক্ষার।
সত্যি হলো বার্ধক্য এলে, কবিতারা সাইকেল চড়তে ভয় পায়
অথচ একলা ঘরে, একলা অন্ধকারে ,একলা বিছানায় ভয় পায় না
আমার মা বলে কবিতা বাঁচে রাজার মতো আর মরে কুত্তার মতো
অথচ আমার রাক্ষস জন্ম মানে না এ কথা ,
কারম বার্ধক্য এলে কবিতার মৃত্যু ভয় কমে আসে
অমরত্বের ভয় চেপে ধরে তাকে
কিছু সহবাস ক্রমশ মুক্তি থেকেও তবু মুক্তি খোঁজে
কলমের নিবে কবিতার শব্দরাও ক্লান্ত হয়
ক্লান্ত হয় মিথ্যে কথা।
.
রাক্ষস জন্ম
.... ঋষি
No comments:
Post a Comment