Wednesday, January 30, 2019

ঈশ্বরমুখী


ঈশ্বরমুখী
.......... ঋষি
============================================
তুমি যখন গল্পের ছলে সময় বলো
আমি ক্লান্ত শিশু তোমার স্তনে ঠোঁট রেখে ঈশ্বরমুখী।
তুমি যখন স্বার্থপর বলো তখন  আমার বুকে জল গড়ায়
আমি ভিজে যায় সময়ের যন্ত্রনায়।
তুমি যখন আদর করে মাথার চুলে আঁকিবুকি কাটো
আমার মনে হয় এই তো সময়।
.
সবজান্তা সময়
শুধু কখন যেন  হয়ে দাঁড়িয়ে পরে তোমার জানলায়।
এলোমেলো একটা স্পর্শ ছুঁয়ে যায়
বাতাসে তখন গর্ভবতী হাসনুহানা থেকে মধু রঙের আলো।
চুঁয়ে নামে
আমার স্পর্শ ছুঁয়ে তোমার গন্ধ সময়ের গায়ে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী যখন দূরত্ব নির্ভরশীলতা
রাস্তায় একলা পথে তখন বিষন্নতা।
 চিরুনির দাঁতের মত লম্বা লম্বা  লাইটপোস্টের আলো
পিন হয়ে ফুটিয়ে চলে সময়ের গায়ে ।
সময় তখন ভীষণ নগ্ন
আমার পায়ের পাতা এলোমেলো,ঠিক তোমার মতো ।
সাজানো সিমেন্টের ব্লক; ভিজে চকচকে; পিচরাস্তা
শহরের  ট্যানড্‌  চামড়ায় অন্যমস্কতার ভিড় ।
.
তুমি যখন গল্পের মতো আমাকে জড়িয়ে থাকো
তখন আমি যেন ঈশ্বরের দরজায় অনবরত ঘন্টা বাজিয়ে চলি।
তুমি যখন আমাকে অভিমানে ক্ষতবিক্ষত করো
আকাশ থেকে তখন নেমে আসে দেবদূত।
সময়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে এগিয়ে চলে অধিকারের দিকে
কিন্তু তুমি যে সর্বত্র জুড়ে তখনও।   

কুছ না কহো

কুছ না কহো
..............  ঋষি
===========================================
পুরোনো কবিতার ছেঁড়া পাতা
এলোমেলো ভাবনা ,শুধু দরাজ হাসি ,উত্তরের হাওয়া।
জ্যাকেটের গায়ে পুরোনো শিমুলের ধ্বংসাশেষ
গল্পগুলো এমনি নিরিবিলি আনমোনা।
স্মৃতির পাথরে বসে জ্যাকেটের পকেটে হাত ঢোকানো
নিজেকে জড়ানো পেটের কাছে উষ্ণতায়।
..
অভ্যাস
অনবরত শব্দ যন্ত্রনা যখন কবিতায়।
প্রেম চুল এলোমেলো করে মনে করিয়ে যায়
মুহূর্ত ,গভীরতায়।
......................... কুছ  না কহো ,কুছ  ভি না কহো
লম্বা ড্রপসিন নেমে আসে চোখের আলোতে।
আলো নির্ভর জীবন
যেন কোনো ট্রেনের জানলার  ধারে সিট্
আর সরতে থাকা সময়।
এলোমেলো হাওয়া তোমার স্পর্শ ছুঁয়ে
কখন যেন খুব একার।
.
কবিতা এলোমেলো বয়ে যাওয়া
ব্যস্ত মহানগরে লুকোনো অনন্ত গল্পের সব হাসছে।
গতরাতে চাঁদে পাওয়া চন্দ্রমল্লিকা আজ সূর্য মল্লিকের ঘরে
রোদ ও হাওয়ার ,কনকনে উত্তরের আদর ।
হাওয়াদের ছেলেমেয়েগুলো ঝরাপাতা নিয়ে খেলে
হলুদ পাতার সাথে উড়ে যায় মানুষের মন।  

Friday, January 25, 2019

আকাঙ্ক্ষায় প্রেম




আকাঙ্ক্ষায় প্রেম
....ঋষি
============================================
অনতিদীর্ঘ এক বারান্দায় পায়চারিরত প্রেম
নির্ভরশীল রেলিঙে দিয়ে উঁকি মারা আকাশ।
আসলে এই  পৃথিবীর ভার হলো প্রেম
একাকিত্বের চাপের নিচে ,অসন্তোষের বোঝার নিচে
ক্রমশঃ পাষান ,
অথচ আমরা আকাশ দেখতে ভালোবাসি।
.
কে অস্বীকার করতে পারে
স্বপ্নে প্রেম শরীর স্পর্শ করতে চায় আরো গভীরে।
চিন্তায় অলৌকিকতায় প্রেম ধরা দেয়
যেন অন্য পৃথিবী।
 কল্পনায় মানুষকে ব্যথিত  করে,হৃদয় পেরিয়ে
পুড়ে চলা সময়  শুদ্ধি অর্জনে,কারণ জীবনের নির্ভরশীলতা প্রেম।
কিন্তু আমরা এই ভার ক্রমশ  ক্লান্তিকর,
তাই বিশ্রাম চায় সময়।
ভালোবাসার সমান্তরাল পথে বিশ্রাম নিতেই হয়,
প্রেমের হাতে সমর্পণে।
.
অনতিদীর্ঘ এক বারান্দার উপর পায়চারিরত প্রেম
রেলিঙের বাইরে দাঁড়ানো আত্মারা নির্ভরশীল।
প্রেম ব্যতিক্রম নেই কোনও স্থিরতা ,
প্রেমের স্বপ্ন ছাড়া  নিদ্রাহীনতা, উন্মাদ এই সময়।
দেবদূতদের নিয়ে অন্ধকার আবৃত রাতপরী ,
অন্তিম আকাঙ্ক্ষায় প্রেম।

Thursday, January 24, 2019

ছকবন্দী খেলা


ছকবন্দী খেলা
....ঋষি
===========================================
জীবনের বিরক্তিগুলো সময়ের ফুটেজে
আজকাল দাগ টেনে যায়।
সময় পেরিয়ে পালাবার লোভ সব ছকবন্দী খেলা
মিথ্যা হারানোর শোক।
মিথ্যা জীবনের দিনলিপি ,কটূক্তি সামাজিকতায় নির্ভরশীলতা
ভাঙা কবিতার ছত্রে ,অজস্র রক্ত ক্ষরণ।
.
মধ্যস্থতায় জীবন
কাঁচের দেওয়ালে ঘষে যাওয়া স্বভাব।
অজস্র সরতে  থাকা মুখ ,বদলানো সম্পর্কের রিমিকি দেমাক
জীবন সত্বায় চিতাকাঠ।
সব মিথ্যা বোধহয় ,অজস্র খননে শ্রমিকের দগ্ধ যন্ত্রনা
সামাজিক চলচিত্রে শুধু আহা ,উহু।
সত্যির উপর দাঁড়িয়ে অতিক্রান্ত ভিটে মাটি
আবারো একাকী দাঁড়িয়ে।
আকাশে চাঁদের মুখ ,আমার প্রিয় নারী
ভুল করে এঁকে ফেলা খানিকের বোঝাবুঝি ,বোঝা এখন।
আর আকাশের চাঁদে লেগে যাওয়া
দাগ টানা কালি।
.
জীবনের বিরক্তিগুলো সময়ের ফুটেজে
আবারও তথাস্তু জীবন।
সময় ভাঙা নিরিবিলি রক্ত ,মাংস খুঁড়ে আত্মার আত্মিকতা
মিথ্যা যখন।
আমি দাঁড়িয়ে ক্লান্ত কোনো সামাজিকতায় সময়ের দরজায়
দিশাহারা নির্ভরশীলতায়।

আমার কবিতা

আমার কবিতা
......... ঋষি
==================================================
হঠাৎ অন্ধকার ঘরে আমি আর আমার আত্মীয়রা
সকলের হাত পিছ মোড়া করে বাঁধা।
আমার হাতে কলম
সময় আমাকে প্রশ্ন করে ,এ কি ,তুমি কবি হয়ে মানুষ মারবে  ?
আমার অন্তরাত্মা চিৎকার করে চাপা গলায়
মানুষ খুঁজে পাচ্ছি কই। স্বার্থপর  সব।
.
তারপর আলো জ্বলে
আমার সামনে আমার আত্মজ ,আমার প্রিয় সময় ,প্রিয় নারী।
হঠাৎ এক শয়তানি বুদ্ধি আমার মাথায়
সকলকে এগিয়ে দি একটা করে সাদা পাতা ,বলি কবিতা লিখতে।
আমিও লিখতে থাকি টানলের কবিতা
আমার পালাবার কবিতা।
টাইম এন্ড ,সকলের হাত থেকে টেনে নি কবিতার পাতা
এক এক করে পড়তে থাকি।
আমার সন্তানের লেখায় শুধু আঁকড়ানো আঙ্গুল
জীবনের পাতায় শুধু আগুনের কবিতা।
প্রিয় নারীটি কবিতায় শুধু গুঁটি ভাঙা প্রজাপতি স্বপ্ন
আর সময়ের কবিতায় বয়ে চলা।
আর আমার কবিতা
শুধু পালানোর ফিকির।
.
আমি এক এক করে সকলের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়
প্রশ্ন করি কবিতা মানে কি।
সকলের উত্তর একটাই ,কবিতা শুধু যন্ত্রনা
আর কবিতার জন্ম সে হলো সময়।
আমি চিৎকার করি আমি কেন কবিতা লিখি
শুধু সময় মুচকি হেসে সরে যায়।

আদিম শোক

আদিম শোক
........... ঋষি
==========================================
সাতশ কোটি মানুষ একসাথে কাঁদছে
অদ্ভুত  এক বদহজমের  শঙ্খসুরে ডুবে যাচ্ছে  পৃথিবী।
 ডুবে যাচ্ছে  জন্মপিতা আদমের শোক
আর মাতা ইভের গর্ভে ক্রমাগত জন্ম নিচ্ছে আদিম পাপ।
লেখাটা ঠিক এইভাবে শুরু হলে বেশ হতো
কিন্তু হলো না বৃদ্ধ আদম ,ইভ এখন শুধু কাঁদতে পারে।
.
পড়ার টেবিলে একগ্লাস জল
ভাবনার সমান তালে পৃথিবী এগোচ্ছে ভাইরালের দিকে।
ক্রমাগত কোঁকাচ্ছে মেয়েটা
একের পর এক হিংস্র পুরুষ ঝাঁপিয়ে পড়ছে।
যে আব্রু জন্ম শহরের জন্ম দাগ
ক্রমাগত জোর করে লুঠ করে চলেছে ইভের সন্তানরা।
আমি স্তব্ধ ,পৃথিবী স্তব্ধ ,সাতশো কোটি স্তব্ধ
শুধু মেয়েটার গোঙানির শব্দ।
রক্তে ভেসে যাচ্ছে মাটি ,উরুর মাঝে মুখ লুকোচ্ছে পৃথিবী
আর সময় দুষছে পিতার বীর্যকে।
.
 চোখ সইয়ে আনি ভাইরাল থেকে
জলের কাঁচের গ্লাসটির দিকে আমি গভীর মনোযোগ দি। 
গ্লাসের ওই জলটুকুর ভিতর সমাচ্ছন্ন হয়ে যাই
শরীর কাঁপিয়ে জ্বর আসে।
মোবাইল থেকে তোলা ভাইরাল
কাঁপা কাঁপা, ঘোলাটে, দীর্ঘ একটি ধর্ষণের  ভিডিও চলছে।

Sili hawa chhu gayi.....

Sili hawa chhu gayi
Sila badan chhil gaya........
.
যেমন কুয়াশা লেগে থাকে গায়ে
যেমন অনবরত জীবন যাপন তোমার অস্ফুট চাহুনি।
ছুঁয়ে যায় ক্রমাগত কিছু বাঁচা
সমুদ্রের ওপাশে তোমার চোখের মাঝে  নীরবতা ,
আমি শুনতে পাই ক্রমাগত
সমুদ্রের শব্দ।
.
শব্দরা সব এমনি হয়
কখনো কবিতার পাতায় ,আমার বদলানো প্রেমিকার ম্যানিফেষ্টো।
কবিতার প্যামফ্লেটগুলো স্বপ্ন ছুঁয়ে প্রেম
প্রেম শব্দটা বদলাতে বদলাতে কখন যেন স্পর্শ হয়ে যায়।
স্পর্শ জুড়ে বাঁচা
অনুভবে সমুদ্রের গভীর ঢেউ।
আর হয়তো দেখা হবে না কোনোদিন আকাশ ,সমুদ্র সাঁঝে
রঙ মহলে জমবে না মোমবাতির কালো।
তবে সৃষ্টি হবে প্রেম
যেমন আজ ,কাল ,পরশু আর তুমি।
.
যেমন কুয়াশা লেগে থাকে ঘুম ভাঙ্গায়
দূরে কোথাও উঁকি মারে সেই পাহাড়ের দিনগুলো।
পাহাড়ি ঢেউগুলো ,সমুদ্রের সাথে মেশা
তোমার চোখে লুকোনো ইচ্ছাদের আমি ছুঁয়ে যায়।
তাইতো মনে পরে তোমাকে
অচেনা বেলায়।   

শুঁয়োপোকা

 রিংটোনে যা বাজে  তা আসলে মাথার ভিতর শুঁয়োপোকার লিখে চলা কবিতা  শুনলাম, বেশ কিছু জোঁক নাকি আবেদন জানিয়েছে প্রজাপতি হতে চেয়ে ওদের আবেদনপত্রগু...