Sunday, May 3, 2015

বিরক্তির দিন রাত্রি


বিরক্তির দিন রাত্রি
................ ঋষি
============================
চৌরাস্তা ধরে হেঁটে যাচ্ছে
একটা পাপ , অধৈর্য্য সাময়িক মতিগতি।
বিষ পা জলে দাঁড়িয়ে একান্ত একাকী
যদি গলা টিপে ধরি।
নিঃশ্বাসে সহায় নিরুপায় বেঁচে ফেরা
চিত্কার মধ্য রাত্রি।

এমনতর কিছু নয় জীবনের দুর্বল্য মুহূর্তরা
সার্বিক চাহিদার বাইরে জীবন দত্তক বর্ণমালায়।
স্বরবর্ণরা পিছনে সরে যাচ্ছে
ব্যঞ্জন বহুল প্রচারিত চৌরাস্তায় পাপ হেঁটে যায় ।

অনেকটা পাওয়া নিয়ে সকাল শুরু হয়
কাব্যিক কল্পনার পেখম ধরা  না পাওয়াগুলো নিরুপায়।
আকাশে উড়ে যায়
জীবন প্রবাহিত ফ্যাল ফ্যাল করে বেমক্কা ঘুড়িতে।

চৌরাস্তা ধরে হেঁটে যাচ্ছে
একটা পাপ, একটা ভালবাসার খুচরো অধ্যায় ।
খোলা জানলা ,দরজায় একমাত্র আলোক সম্বল
বহুমাত্রিক জীবনের সরলরেখায়।
অনিচ্ছুক বর্ণদের শব্দ বিন্যাসে অনন্ত নিঃশ্বাস
বিরক্তির দিন রাত্রি।  .

Saturday, May 2, 2015

নতুন দিন

নতুন দিন
,,,,,,,,,,,, ঋষি
============================================
চিনেবাদাম ছিঁড়ে খাওয়া
এ কেমন রাজত্ব?
ভাবনার মোড়কটা  ছিঁড়ে তোদের নগ্ন করা
এ কেমন প্রশ্রয়।
আসলে আশ্রয় পৌরুষের ভয়ে নারী তুই
জন্ম চোনায়।

দ্রুত বুনন গড়ে উঠল
উলটো হয়ে, অনামিকা রঙের ওড়না আমার শহরের শরীরের রঙে।
অদ্ভূত আবদার তোদের, স্বপ্নের পৃথিবী
সাজানো সংসার ,নদের নিমাই ,নদের গোপাল।
হাসি পায়
তোদের যোনির ভিতরে নরম মাংসে বেয়ে ওঠা সভ্যতার অহংকারে,
পৌরুষ অহংক্রিত এবং বিজিত।
আর তোদের সংসার নার্সারির  ফ্রকে দেখা খেলার পুতুল
তোরা জীবিত অথচ মৃত কোথাও।
জানিস তোরা সবি
আশ্রয় আর প্রশ্রয়ের মিশেলে তৈরী অদ্ভূত জীব ,
যাদের নিজেদের বেঁচে থাকা অন্যের তরে।

চিনেবাদাম ছিঁড়ে খাওয়া
এ কেমন রাজত্ব?
তোদেরকে নগ্ন করে সভ্যতা জলাতঙ্ক বুকে পরম প্রশ্রয়ে
আর তোরা আশ্রয়ে চিরকালীন।
পৌরুষ শব্দের ভয়ানক দাপটে ভিতু অন্ধকারের ন্যায়
বেরিয়ে আয় তোরাও ভয়ানক শ্মশান কালী রূপে।

আনন্দসংবাদ

আনন্দসংবাদ
,,,,,,,,,,, ঋষি
========================================
অত্যন্ত আনন্দসংবাদ আজকে
ভেঙে গেছে মই-য়ের ভিতরকার রাস্তাটি।
সুপ্রাচীন ধোঁয়ার কুন্ডলী পাঁকানো ইচ্ছাতে
মন মানছে না অভিনেত্রী সুলভ হাতিয়ার
চামড়ার প্যাকেটে লেখা "কিনবেন না" ।

কিনছে কে
আমি তো শুধু ডুবে যেতে চাই গভীর প্রেমে অন্য অশোকে।
এতে বেচা কেনার প্রশ্রয় নেই
প্রশ্রয় একলা থাকা পিয়ানোর সুরে।
নেচে ওঠে হৃদয়ের প্রতিকোনে বল ড্যান্সের সাজানো প্রাঙ্গন
অনবরত বহবান পৃথিবীর ধোঁয়ায়।
অন্য পৃথিবী একান্ত আপন
অন্য ভাবনায় জীবিত জীবন
স্পর্শের ধোঁয়ায় আঙ্গিক বেঁচে ফেরা কোলাহলে শান্তি।

একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর জারির ব্যাপার আছে
ভেঙ্গে যাওয়া মইয়ের অদৃশ্য পথে তোমাকে পাওয়া।
প্রাচীন রক্তকণিকার প্রতি কোষে শব্দবহুল জীবন
মন মানছে না তোমার অভিনেত্রী সুলভ  আকর্ষণ
আমার তোমাকে চাই সাদা মৃত ঠোঁটে। 

অদ্ভূত

অদ্ভূত
.............. ঋষি
==========================================
আলতো সোফায় পা এলিয়ে অন্ধকারে ঠোঁট
কোনো এলিয়ন নেমে এলো নাকি।
জমা জঞ্জাল ,ছড়ানো স্তব্ধতা ফাঁকে
এক ঠোঁট নীরবতা।
তোমার ঠোঁটে
অদ্ভূত।

এই সব প্রিম্যাচিওরড লুব্ধতায় শাসন থাকে না
কারণ শাসন ঈশ্বর আসনে
আরো গভীর কবিতায়।

উড়তে থাকা শাড়ির আঁচলের আড়ালে
দু কিস্তি ডাকপিওন বৃষ্টির পর
নেশার রাত।
আঁকড়ে ধরে তোমার গন্ধে লেগে থাকা বিস্ময়
সময়ের চাঁই গলে ইতিহাসের বুক,
তোমার বুক
আশ্রয় ।


মনে হয় স্তব্ধ অন্ধকারে সোফায় গা এলিয়ে আমি
শীত শীত পায়রা উড়িয়ে সারা শরীরে শান্তিতে তুমি
কোনো সুখের কবিতায়।

নেমে যায় নিচে শহরের কেবিনে বুড়ো গিটারিস্টের
মোলায়েম সুর।
জিনা ইহা মরণা ইহা ,ইসকে সিবা
কিছু না শুধু স্তব্ধতা অন্ধকারে আগুন লাগা দূরত্ব
পিষে যায়, মিশে যায় ঠোঁটে ঠোঁট ,
অদ্ভূত। 

খেলা জমছে

খেলা জমছে
................ ঋষি
======================================
চারিদিকে ছড়ানো পিংপং বল
লাফাচ্ছে ,কাঁদছে ,জমে উঠছে খেলা।
দর্শক আসনে সাধারণ ইচ্ছার মত ঈশ্বর আছেন
খর্ব সাধারণের মত উঁকি মেরে দেখছেন ,
জমে উঠছে খেলা।

সামনের সাজানো স্টেজে এক বিশাল তলোয়ার
চিরে দিল কোনো মাংসের তৈরী যোনি।
কোথা থেকে উপস্থিত বড় বড় পায়ের অদ্ভূত অস্তিত্ব
লাফাচ্ছে সারা স্টেজ জুড়ে ,
ঈশ্বর শান্ত হয়ে দেখছেন ইচ্ছাদের সাথে।

ও মা অবাক কান্ড
খিদের পাঁজরে লেগে থাকা শরীরে কষিয়ে লাথি।
এক জোকার মেরে ছুটে পাঠালো
খিদে কাঁদছে ,
স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ধুকতে থাকা চামড়ার ওঠানামা।

কোথা থেকে এক রাজকন্যা স্টেজে এলো পালকিতে করে
রাজকন্যা ওপরে দড়ি বেয়ে চড়ছে।
পায়ে জড়াচ্ছে ,গলায় জড়াচ্ছে ,শূন্যে ভাসছে
নেমে আসছে ভাসতে ভাসতে মাথার ভিতরে
থেতলানো মাংস ঈশ্বর রাজকন্যা মাটির পৃথিবীতে।

চারিদিকে ছড়ানো পিং পং বল
অজস্র চিত্কারের মাঝে হাতছানি ইচ্ছার জোকার।
জোকার গুলো হাসছে, কাঁদছে অবহেলে ঈশ্বরের চোখে
ঈশ্বর স্থির ,নির্বাক ,শুধু সময়ের ঘড়িতে চোখ পিটপিট
প্রহসন চলছে ,খেলা জমছে।

আমার পড়শি

আমার পড়শি
............... ঋষি
=========================================
আমি তার পড়শি রয়েছি আজন্মকাল
খাঁচার ভিতর শুয়ে থাকা অস্তিত্ব আর মাথার ভিতর।
চলতে থাকা সাময়িক অনুরণনের অদৃশ্য উপস্থিতি
আমার পড়শি গান গায় ,শুনি আমি।
খোলা জানলা দিয়ে উঁকি মেরে দেখি চারকোনা একটা খাট ফাঁকা
নিজেরাই চিত্কার করে।
জানলা বন্ধ করে দেয় মুখের উপর
আমি চুপ থাকি।

আজকাল চুপ থাকতে থাকতে অভ্যেস হয়ে গেছে
পাশের উপস্থিতি টা থমথম করে সারা রাত জুড়ে।
আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়
মাথার ভিতর নিস্তব্ধতা খাঁ খাঁ করে।
সেই সময় কেন জানি বেজে ওঠে মুঠো ফোন
মুঠো ফোনের স্ক্রিনে পড়শির নাম।
হ্যালো ,হ্যা বলছি
কি মারা গেছে ,এক্ষুনি যাচ্ছি।

আমি তার পড়শি রয়েছি আজন্মকাল
ঘুম ভেঙ্গে যায় সোজা গিয়ে ঢুকি মৃতের পৃথিবীতে।
সবদিকে ফ্যাক ফ্যাকে সাদা
সাদা কাপড়ের মাঝে আমি রঙিন বড় বেমানান।
মিথ্যে মনে হবে তাই সত্যিগুলো আস্তিনের ভাঁজে
লুকিয়ে উত্সব করে আমার পড়শি।
আর আমি উত্সবের পাশে একলা দাঁড়িয়ে দেখি
পুড়ে যাওয়া মিথ্যা উপস্থিতি।



Friday, May 1, 2015

বা রা ন্দার দরজা

বা রা ন্দার দরজা
............... ঋষি
====================================
চিত্কার করে জীবিকায় কেঁদে যাচ্ছে
পোশাকি জীবন।
বোবা অস্থিরতায় এসে দাঁড়িয়েছে বা রা ন্দা য়
রাস্তার পাশে ,প্রশস্ত রাস্তা বুকে সীমাহীন জীবন।
আনন্দে হেঁটে চলা
শুধু তোমার হাত ধরে নিশ্চিন্ত।


পোশাকি পর্বের শেষ রাতের ট্রেনে অস্থির পদচরণ
বোবা বগিগুলো অজগরের খিদের মত দৌড়চ্ছে।
শান্তি নেই একটা জীবন তোমার সাথে
ডাকিনী যোগিনী দিয়ে বানানো তরকারি বারোমাসের সর্বক্ষনে।
মনোযোগ সহকারে সভ্যতা চুষে যাচ্ছে একমনে
ঘুমন্ত অধিকার।
ঘুম কে আবিষ্কার করেছিল?
যোনি ও জননের সংযোকে তৈরী বিশ্লেষণে অহংকার।
 জীবিত ও মৃতের পার্থ্যকের সেতুতে একলা দাঁড়িয়ে দেখছি
সামনে দিয়ে ঘটে চলা কাঁচের দুর্ঘটনা,
মানুষ ঘুমোয় বলে মৃত্যু এত সহনশীল।

চিত্কার করে জীবিকায় কেঁদে যাচ্ছে
পোশাকি জীবন।
শব্দ তুলে অদ্ভূত বাদ্যযন্ত্র  বিধাতার হাতে
ঝংকার আর অদ্ভূত ম্যাজিক ভেসে যাচ্ছে বা রা ন্দার দরজায়।
দূরে দাঁড়ানো আকাশের চাঁদে
দরজা বন্ধ সীমাহীন  পোশাকি শব্দে। 

শুঁয়োপোকা

 রিংটোনে যা বাজে  তা আসলে মাথার ভিতর শুঁয়োপোকার লিখে চলা কবিতা  শুনলাম, বেশ কিছু জোঁক নাকি আবেদন জানিয়েছে প্রজাপতি হতে চেয়ে ওদের আবেদনপত্রগু...