Wednesday, August 29, 2018

Alor setu

আলোর সেতু 

.... ঋষি 

............................................................................

অন্ধকারের সীমারেখা তোর আমার আকাশ 

মাঝখানে আলোর সেতু। 

সেতু দোলে 

আকাশ থেকে নেমে আসে স্বপ্ন নক্ষত্র আমাদের চোখে। 

ভালো লাগে 

একা থাকা বরাবর এক মিষ্টি যন্ত্রনার । 

.

একটা নাম তো দেওয়া দরকার সেতুটার 

একটা  পরিচয়। 

আসলে সময় পরিচয় খোঁজে ,পরিচয় সমাজ খোঁজে 

কিন্তু পরিচয়হীন কিছু মানুষ কখন যেন খুব কাছে 

যেমন আমি তুই। 

কি অদ্ভুত চলন্তিকা 

আমাদের আকাশ ছোঁয়ার ইচ্ছা ,সে যেন  বিশাল গাছ। 

আকাশ ছেয়ে ঈশ্বর গ্রহের কোন অন্য মানুষ 

শুধু অপেক্ষায়। 

যেখানে মাধ্যকর্ষণ মনে হয় পরিচয়হীন

আরো পরিচয়হীন আদমের ঠোঁটে বিষ ফল । 

.

অন্ধকার সীমানায় আঁচড় দিয়ে দাগ টেনে যায় 

কালপুরুষ। 

আকাশের সেতুটা দোলে 

নেমে আসতে থাকে আমাদের চোখে নক্ষত্র ফুল। 

কেউ তাকে তারাখসা বলে

কিন্তু তুই মুচকি হেসে আরেকটু গভীরে আসিস আমার। 

Sunday, August 26, 2018

দেও ফিরিয়ে সেই অরণ্য

দেও ফিরিয়ে সেই অরণ্য
,,,,,ঋষি
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
কি হল কবি তুমি কাঁদছো?
,
আকাশ কুসুম স্বপ্ন, সত্য,অরণ্যের দাবানল।
পূড়ে যাচ্ছে
হাজারো বছরের আগুনে আমার সভ্যতা।
,
এই ক্রীতদাস সময়,অশ্লিল প্রযুক্তির মালিকানা
মানুষ খুব কাঁদছে।
একটু আলো,সবুজের স্পর্শ,ম্যান্ড্রেকের ছড়ি
গিলি গিলি গে,
দেও ফিরিয়ে আমায় অরণ্য।
,
কি হল কবি তুমি হাসছো?
,
,,,,,,অধিকার,,মানুষগুলো সব দৌড় আর দৌড়
নিজের আয়নায় নাটক।
ঘরের ভিতরর ঘর, আর বারান্দায় দাঁড়ানো মানুষের মন হাতড়াচ্ছে
,,,,,,অন্ধকার,,,,দেওয়ালে পিঠ,
শালারা সব নাটুকে।
,
নগ্ন সময়
সবুজের খোঁজ বুকের ভাঁজে লুকোনো শ্যাওলা।
আদিম বৃক্ষ,আরও আদিম সভ্যতা
জেগে ওঠো, উঠে দাঁড়াও, হাত বাড়াও
আরও সবুজ,,  সত্যি
দেও ফিরিয়ে সেই অরণ্য।

হাউ টু রাব

হাউ টু রাব
,,,,,,,,ঋষি
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
প্লিস আমাকে শেখাও হাউ টু রাব
সত্যি কি করে ঘষে ঘষে তুলে ফেলা যায় সময়ের দাগ।
মানুষের দাগ,আবরণের দাগ
আবার কি সাদা পাতায় লেখা যায় অন্য জীবন।
,
প্লিস টিচ মি হাউ টু রাব
কিভাবে ঘষে তুলে দেওয়া যাবে আমার উপস্থিতি।
কতদিন সময় পোড়ে নি
কতদিন নেমে আসে নি আকাশের চাঁদ, সূর্য।
কোনদিন দেখা হয় নি তোমার স্নান করা
নিজের ব্যাক্তিগত ঘরের উঠোনে
হেসে ওঠে নি অবহেলায় একা থাকা অভিমানেরা।
প্লিস শিখিয়ে দেও আমায়
আকাশের গান,সমুদ্রের গভীরতা, পাহাড়ের উচ্চতা।
ভুলিয়ে দেও সব মিথ্যা অহংকার,সময়ের দরজা
আর খিদে।
আরও একা তোমার ক্লিটে ঠোঁট ঘষা বন্য জন্তু
আমাকে শেখাও মুক্তির গান।
,
প্লিস আমাকে শেখাও
সবুজ ছড়ানো আকাশকুসুম স্বপ্ন, আদিম অধিকার।
আর মুছে ফেল,,,,আমায়
আমি যেন সাদা পাতায় আঁকতে পারি নতুন নিজেকে।

তোর শব্দ

তোর শব্দ
,,,,,,,ঋষি
,,,,,,,,,,,   ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,  ,  ,,,,,,,,
তোর কথা মনে পরে
প্রথাগত নিয়মের ওইপাড়ে দাঁড়িয়ে আমি।
কিছু শব্দদের ভীড়
কিছু প্রলোভন,আগুনে ছুঁয়ে থাকা আমি তুই।
কফিশপে চুমুকে চুমুকে লেগে থাকা মুহুর্ত
ছুঁয়ে যায় ঠোঁট।
,
তোর বুকের পুড়ে যাওয়া দাগটা আসলে আমি
আর আমার আমিত্ব পুড়তে থাকা তোতে।
এই সব আমি, তুই শুধুই একা থাকা
গভীর গহীন মুহুর্তে তোর আখরোট ঠোঁটে
আরও একা।
প্রতিটা মীমাংসা নিজের সাথে একটা সাদা বেড়াল
যে শুধু চুপিচুপি হেঁটে যায় বুকের উপর।
কোন শব্দ নয়
অথচ অজস্র শব্দ খুঁজতে থাকা।
,
তোর কথা মনে পড়ে
ছড়ানো শিউলি পথে তোর গভীর গন্ধ।
নিশুতি রাতে আকাশ থেকে নেমে আসে গভীরে তুই
আর কিছু মুহুর্তের টিক, টিক।
ঘড়ির কাঁটা থেমে যায়,থেমে যাওয়া আমি
পিছনে ফিরে খুঁজি তোর না বলা শব্দদের।

কে তুমি

কে তুমি
..... ঋষি
................................................................................
বেঁচে উঠে মরে যাওয়া
জীবন দুস্তর আবিষ্কার ভূমিকম্পের রিখটার স্কেল।
তোমার সাথে কথোপকথন
আজকাল একটা রীতি নিয়মিত আলাপন।
ভালো লাগে ,অথচ
নিজের কাছে  বোঝার প্রচেষ্টা কে তুমি ?
.
কে তুমি এমন তুমি
হৃদয় নির্ভর বেঁচে থাকা মুসাফিরের পাথেয়।
বহুবার প্রশ্ন করেছে এই জংলী হৃদয় নিজের কাছে
কেন ?
উত্তর শুধু ভালো থাকা ,একটু বাঁচা।
আজকাল ভালো লাগে একলা বৃষ্টিতে দাঁড়াতে
দাঁড়াতে নিজের কাছে নির্ভরশীল আয়নায়।
আজকাল পরশুর বেঁচে থাকা
আগাম একটা খেয়ালিপনা জন্মনির্ভর।
কে তুমি
যেখানে মিশে থাকা ঘাম সময়ের দরজায়
আলাদা একটা ভালো লাগা রেখে যায়।
.
বেঁচে উঠে মরে  যাওয়া
প্রলয়ের উঠোনে নীলকণ্ঠ যেন আকাশের প্রেম।
তোমার সাথে কথোপকথন 
অদ্ভুত ভাবনার দেওয়ালে সাতরঙা রামধনু।
ভালো থেকো ,ভালো আছি
যতক্ষণ এই ধুকপুকে লেগে থাকা তোমার গন্ধ। 

Friday, August 24, 2018

যদি একবার

যদি একবার
,,,,,,ঋষি
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
চলন্তিকা এক নিশ্বাসে পুড়ে গেলাম আমি
পাতায় পাতায় জুড়ে থাকা চিত্রনাট্য ভেজা চিঠি।
সময়ের আওতায় অজস্র সিঁড়ি
অজস্র ওঠাবসা,অজস্র রঙিন উপস্থাপনা সাজানো শহরে।
এ শহরে সত্যি বলে সত্যি কি কিছু আছে
নাকি সাজানো।
,
উষ্ণতা ছুঁয়ে বৃষ্টি নামে এ শহরে
ভেজানো নোনতা তোর কপাল ছুঁয়ে আমাকে ছুঁয়ে যায়।
ছুঁয়ে যায় তোর আদিম অভিমানের ভিতর লুকোনো আমি
লুকোনো শহরের ধুলোয় অন্য আমি।
কেতাবি আনন্দের অজস্র খুনসুটি, অজস্র সফর নামা
মৃত্যু শুধু তোর একার নয় চলন্তিকা,কোনদিনও ছিল না।
তোর কপাল চুমে একলা চলা পথ
সে তো মৃত্যুর প্রতিধ্বনি আমার আয়নায় এক প্রতিলিপি।
,
চলন্তিকা এক নিশ্বাসে পুড়ে গেলাম
আসলে আমার মৃত্যুর কোন নিয়মিত কারণ ছিল না কোনদিন।
আমাকে মৃত্যু দিয়ে গেছে আমার অভিশাপ
আর এই অভিশাপের প্রথম উচ্চারন শুধু আমি নিজে।
তাইতো এই মৃত্যুতে আমার কোন শোক নেই
আছে আশা
যদি একবার ফিরে আসা যায়।

ইউক্যালিপ্টাস সরণি

ইউক্যালিপ্টাস সরণি
....... ঋষি
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
আনন্দ কেটে যাওয়া দিন
জীবন সরণির দুপাশে ইউক্যালিপ্টাস গন্ধ মনে পরে।
মনে পরে রাত,নিয়ন বাতির পথ
পথ চলা ইতিহাস সাক্ষী ,অজস্র চোরা কাঁটা জীবন পথে।
আজকের কথা নয় ,কথা নয় কালকের
কথাগুলো সব স্বপ্ন নির্ভর অনিত্যের বাঁচায়।
,
আচ্ছা চলন্তিকা
বারংবার জানতে চেয়েছি জীবন কাকে বলে ?
উত্তরে সর্বদা তুমি হেসেছো
আর কানে কানে বলেছো এইতো তুমি আমার এটাই  জীবন।
আমি খানিকটা বিহ্বল হয়ে জানতে চেয়েছি
চলন্তিকা পথ কাকে বলে ?
তুমি মুচকি হেসে বলেছো তোমার সাথে কাটানো জীবন আমার পথ।
অসামান্য কোনো প্রেমের উপন্যাসের পাতায় আঁকা জীবন
কিন্তু সত্যি কি জীবন এমন হয়।
চলন্তিকা জীবন পথ হাঁটতে আমি শিখেছি হাসতে
পাগলের মতো হাসতে ,
কারণ কাঁদলে যে লোকে বলবে হেরে গেছি।
,
তাইতো আনন্দ এই জীবনের দৈনন্দিন
আর জীবন সারণিতে ইউক্যালিপ্টাস গন্ধ আসলে তোমার হাতছানি।
বেঁচে আছি চলন্তিকা তোমার স্বপ্নে
পথ চলা প্রতিদিন সাক্ষী ,তোমায় ছাড়া এই জীবনে মৃত্যু নেই।
এগুলো আজকের কথা নয় ,এগুলো সব সাক্ষী আমার মৃত্যুর
কারণ মৃত্যুর পর হয়তো আমার ইউক্যালিপ্টাস সরণি। 

দুর্গোৎসব ২০২৬

সময় এসে পড়েছে  নিরুত্তর যন্ত্রণার দাগগুলো ক্লোরোফিল শুন্য ফ্ল্যাশব্যাক । সময়ের শুকনো ঝরাপাতায় অসংখ্য বাতানুবাদ  সময়ের ঝলমলে তেল রঙ, মায...