Friday, April 30, 2021
প্রেমিকা থেকে ঈশ্বর
ঈশ্বর না সময়
ন্যাংটা ভারতবর্ষ
Wednesday, April 28, 2021
ওয়ান ওয়ে রুট
ওয়ান ওয়ে রুট
,,,, ঋষি
হঠাৎ সমুদ্র আসে নি বলে দুঃখ নেই
দুঃখ একটা শব্দ
ভালোবাসা পেয়েছি বলে ভালোবাসতে চাই বারংবার
এ একেবারে অবান্তর কথা।
তবে অনেক আগে ,ওয়ান ওয়ে রুট
একা রাস্তা
চিঠি লেখার কারণ যেমন শুধু ডাকবাক্স নয়।
.
চোখের চশমার কাঁচে অভিজ্ঞতা বাড়ে না
বরং হালকা হতে থাকে জীবনের ওপারে একা রাস্তায়
বয়সভারী হওয়ার সাথে নাড়ীর টান
নারীর টান
মাটির টান
কমতে থাকা রাস্তা একা সমুদ্রে গিয়ে শেষ হয়।
.
অভিজ্ঞতার মেঘ
ঝরে ঝরে মাটি ভেজায়,
ভেজা মাটি থেকে উঠে আসে সোঁদা গন্ধ।
আমি চেয়েছিলাম আমার সত্যি স্বপ্ন হোক
সত্যি সত্যি আমার একটা রাস্তা হোক সমুদ্রের উপরে
পায়ে জল না লাগুক
বুকে কষ্ট না লাগুক
চোখে চশমা না লাগুক
অথচ নোনা সফর ,চোরা বালি
নারী আর নাড়ী ক্যালকুলেশন চিরকাল আমি বড় কাঁচা।
.
চলন্তিকাকে বিশ্বাস করেছি
বলেছি সেদিন
এই নাও আমার অক্ষর, আমার প্রেম, আমার অনুষ্ঠান নাও,
আমার এই রাস্তা তোমার করে নাও।
চুপ
চুপ
... ঋষি
জীবন থেকে বুঝেছি
যত তাড়াতাড়ি ডিলিট বাটনে আঙ্গুল
সে সম্পর্ক হোক বা স্পেস ,
সময় বাহুবলী
যত তাড়াতাড়ি নিজেকে ভাসিয়ে রাখা যায় হাওয়ায়
ততই অদ্ভুত ভালো থাকা পাঠ।
.
এমন অনেক রাত যেখানে নিঃশব্দরা আত্মহত্যা করেছে অবহেলায়
এমন অনেক দিন যেখানে হাজারো শব্দরা জট বেঁধেছে গভীর ভূমিকায়
নিজের বুকের উপর কোদাল ,গাঁইতি আর বোধ
নিজের কবরে শুয়ে থাকা একটা মৃত শহর ,
হাজারো কবিতাকে গলা টিঁপে খুন করার পর বুঝেছি
বেঁচে থাকাটা স্বার্থপর একটা শব্দ
এখানে অমরত্ব নেই।
.
অজস্র শব্দরা যখন চোখে সামনে পাখি
আমি আকাশ খুঁজতে হাতের আঙুলে নীল বুনেছি
নীল স্বপ্ন
স্বপ্নের রং
জীবন অবহেলায় কেটে যাওয়া দিন রাত
পা খি র .... পালক।
আমার শব্দের যন্ত্রণার একটা চিতা সাজানো নিঃশব্দে
যেখানকার শব্দ গুলো সিটি অফ ডেথ
কিন্তু আমি অমর চিরকাল ,
কারন ডানা কাটা কবিতারা আজকাল এই শহরে একলা ঘোরা
সেই একমাথা কোঁকড়ানো চুল ছেলেটা শহরে ফুটপাথে একলা পোড়ে
তার বুকে কবিতা
তার বুকে চলন্তিকা
নিঃশব্দ
চুপ
মৃত্যুর কবিতা নয় এটা
কবিতা নিস্তব্ধ যন্ত্রণার।
Monday, April 26, 2021
রাজাধিরাজ আপনার প্রতি
Saturday, April 24, 2021
রাষ্ট্রকে লেখা মানুষের চিঠি
প্রিয় রাষ্ট্র,
.
এটা যুদ্ধক্ষেত্র না ,বিশ্বাস করি না
প্রতিটা মানুষের জন্য এখানে একটা না একটা যুদ্ধ অপেক্ষা করছে
করছে বাঁচার দৃষ্টিভঙ্গিতের মৃত্যুর কঙ্কাল।
রাষ্ট্রের ছিঁড়ে যাওয়া পতাকা
শুধুমাত্র উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া অধিকার আপনি মেইল ,কি ফিমেল।
.
আগ্রাসী একটা আগুনের কুম্ভে জ্বলন্ত লোহার আকৃতি দরকার
দরকার আকুতি ,
দরকার রাষ্ট্রপিতাদের লোভী মুখগুলোর বদল,
অশোক স্তম্ভের সিং আজ গদি যুগে আরামপ্রিয় বড়,
গদি বদল করে মানুষ দরকার
দরকার মানুষের কষ্টের ঘামে আবারো ভিজে রাষ্ট্রপতাকার।
.
জানি আমার এই চিঠি পৌঁছবে না সঠিক ঠিকানায়
বরং মানুষ এই চিঠি পড়ে দুঃখ বোধ করবে
বোধ করবে মেরুদন্ডহীনতা
বোধ করবে অধিকার অপচয়ের ইতিহাস
আর রাষ্ট্র
হয়তো আমাকে শত্রু মনে করবে
হয়তো শত্রুপক্ষের একটা স্লেজগাড়ীর মতো আমাকে নির্বাসনে পাঠাবে
.
একটা নোনতা হাওয়া দরকার
দরকার আবারও কিছু মানুষের বিদ্রোহের
নিতান্ত সিঁধু ,কানু যদি না হতে পারেন
তাহলে অপেক্ষা করুন আগামীর আবহাওয়া দপ্তর খবরের কাছে
আপনার আগামী মৃত্যুর কারণ আপনি নিজে
তা মেইল ,ফিমেল নির্বিশেষে
জেনে রাখুন
রাষ্ট্র বদলাতে শুধু মানুষ দরকার ,সময় নয়।
.
ইতি কলম
অন্তর লিখন
অন্তর লিখন
... ঋষি
আজ অবধি একটা আনন্দের কবিতা লেখা হলো না
এ শহরে প্রতিটা সকাল নিয়ে আসে যুদ্ধ ,
যুদ্ধের একপাশে মানুষ অন্য পাশে সার দেওয়া প্রতিপক্ষ জীবন
তার মাঝে আনন্দ
চাষার মুখে পেংগুইন শিক্ষার মতো
কিংবা একটা দুর্ঘটনা।
.
আজ অবধি একটা প্রেমের কবিতা লেখা হলো না
পূর্ণিমা তথা প্রখর অমাবস্যায়
কৃষ্ণবর্ণ এক ঘোড়ার ক্ষুরের শব্দ শুনতে পাই নিজের গভীরে শুয়ে থাকা জঙ্গলে
বুকের জঙ্গলে আগুন জ্বলে
পুড়ে যায় হাজারো প্রেমিকার মুখ
যাদের বলা হলো না কত ভালোবাসতাম।
.
আজ অবধি একটা মানুষের কবিতা লেখা হলো না
এযাবৎ মানুষেরা হেরে গেছে বারংবার ,
ইদানিং এ শহরে রাত্রি নামলে ,
আহত বিবেকের মিছিলে হেঁটে যায় মানুষ শ্মশানের দিকে I
আড়ম্বরহীন আমার শব্দের চিহ্নও ফুটে ওঠেনা সেভাবে
সাংকেতিক চিহ্নের মত ছড়িয়ে থাকা উৎসব
শুধু গা ভাসিয়ে দেওয়া I
অবিন্যস্ত লেখার টেবিলের দিকে কিছুক্ষণ ঝুঁকে বসে
শিবদের শরীর ছুঁয়ে দেখি
মানুষেরা হেরে গেছে এ যাবৎ
বারংবার।
.
বুঝতে পারি না আজকাল কি লিখছি ? কেন লিখছি ?
অখ্যাত কোনো এক স্টেশনে নেমে পড়ি অবহেলায় শব্দের ঝোলা নিয়ে
বুঝতে পারি না এ শহরে রাত্রি কিংবা দিন
সংশয়ে জীবন ,
শুধু কলমের নিবে ফুটে ওঠে মানুষের ইতিহাস ,সময়ের ইতিহাস
না আনন্দ না ,
একটা হাহাকার চিৎকার করে
মানুষের জন্য ভীতি
আর আনন্দ সে বোধহয় মিউজিয়ামে সাজানো কিছু ভুল।
অতৃপ্তি
তবুও এই উষ্ণতার দেশে তেত্রিশ কোটি চিৎকার করে
তবুও হিমালয়ের অম্তরে হিমবাহ গলে
রাস্তার পাশে শুয়ে থাকা কুকুর
নি রা পত্তা।
তবুও শহরের রাস্তায় প্লাস্টিক মোড়া শীতল শরীর
ত বু ও ...
.
অতৃপ্তি
... ঋষি
Thursday, April 22, 2021
ব্ল্যাক কফি
ব্ল্যাক কফি
... ঋষি
বাইরে তখন তুমুল ঝড় বৃষ্টি
আমার ভাবনার কাপে সাজানো আছে এক কাপ ব্ল্যাক কফি ,
বস্তুর আমি সময় নির্ভর নই
আমার নির্ভরশীলতা ভাবনার ওপাশের দেওয়ালে কেউ একজন ,
আমি ঠিক টের পাই যখনতখন
একটা অস্তিত্ব নড়াচড়া ক্রমশ প্রকট আমার চারপাশে।
.
দেওয়ালের ওপাশে সিনেমা চলছে
একটা স্বর্ণযুগ ,
নিরিবিলি ভারতবর্ষের বুকে হাজারো ইতিহাসের তলোয়ার
হিংসা ,প্রতিহিংসা ,ষড়যন্ত্র
সব দেখতে পারছি আমি ,সব বুঝছি
তবুও জানো চলন্তিকা ঘুম আসছে না।
.
ক্রমশ মরচে ধরছে মরচে পড়তে
ভালোবাসা আর সময়ের এঞ্জিনে কয়েকটা শব্দ ঘর
জী
ব
ন
প্রত্যক্ষ সাক্ষীগণ সকলেই জানে জীবন মানে ঝড়বৃষ্টি
আর একটা কাদা ময় রাস্তা।
আপনি পথ খুঁজছেন
পথ হারাচ্ছেন
আপনি হাওয়ায় গা ভাসিয়ে বিরক্ত হয়ে জীবন কাটাচ্ছেন,
কিন্তু সত্যি বলতে কি আমরা সকলেই কম বেশি জেসাস
সেই ইহুদীর বাচ্চা
যার কাছে পৃথিবীটা অন্যকে ভালো রাখার জন্য।
বিশ্বাস করি তাই
"In love there are two things– Souls and feelings."
বিশ্বাস করি তাই ...
.
তোমার কালো গভীর চুলের মতো
তোমার চোখের কালো হরিণের মতো
একটা কবিতা লিখতে চাই।
আমি বেঁচে আছি
আলোয় থেঁতো করে ছড়িয়ে দিতে চাই এই সভ্যতায়
শুধু তোমাকে পাবো বলে।
.
তোমার মুখের ছাপ
তোমার শক্তির জন্মচিহ্ন,
তোমায় ভালোবাসা,
আসলে আদর্শ রোজনামচায় একটা ডেইলি রুটিন
দু ফর্মায় বললে
তুমি আছো ,ভালো আছি তাই।
.
কোনোদিন আর প্রেম লিখবো না আর
কোনোদিন প্রেম জড়িয়ে আঁতকে উঠবো না মাঝ রাতে তোমার বিছানায় ,
তোমার শরীরে হাত রেখে ভাববো না
এই তো সেই শহরের স্মৃতিচিন্হ কিংবা হারানো শহর।
প্রশাসনকে বলবো না
এই শহরে রাস্তা নেই ,এই শহরে ঘর নেই ,এই শহরে বিছানা নেই
নেই শান্তির ঘুম।
অথচ সমস্ত না এর মাঝে একটা সত্য
আমি বেঁচে
শুধু তোমায় লিখবো বলে
লিখবো বলে বিপ্লব রক্তের দাগে এই শহরের পাঁজরে ।
.
এই শহরের সিফিলিস আছে
এই শহরের ঘামে আজকাল লেগে আছে অচেনা অসুখ
তবুও আমি বাঁচবো
কারণ
তোমার চোখের কবিতায় ,তোমার ঠোঁটের কবিতায়
আমি সভ্যতা লিখতে চাই বারংবার
তোমাকে পাবো বলে।
ভ্যাম্পায়ার
ভ্যাম্পায়ার
... ঋষি
একটা গন্ধ হারিয়ে ফেলেছি আমি
সময়ের গন্ধ
একটা গন্ধ মিস করছি এই শহরের বাতাসে কারফিউ
একটা গন্ধ
যাতে তোমার গন্ধ লেগে ছিল।
.
টেলিভিশনের পর্দায় বেঁচে আছি
বেঁচে আছি সঙ্গত প্রহসনে মানুষের মাঝে এক সমুদ্র ভিড়ে
নোনতা স্বাদ
গড়িয়ে নামা ঘাম ,
সত্যি বলতে কি আমার কোনো পারফিউম নেই
পারফিউম শুধু তোমার চেনা শহরের শব্দের অছিলায়।
.
আমি কিন্তু বেছে নিয়েছি একটা জীবন
স্টেশনে উঠলে পড়া ভিড়ে আমার কানে শুধু মানুষের শব্দ ,
ডেইলি প্যাসেঞ্জারি জীবন
ঘুমের কাছাকাছি ,ঘুমের মতো ট্রেন লাইন
গড়িয়ে চলেছে মাথার ভিতর।
তুমি যে গন্ধটার কথা ভাবছো
আমি তা পেয়েছি ভাবনায় সাইবেরিয়ান ভাল্লুকের গল্পে
গন্ধটা চেনা রক্তের
নোনা স্বাদ,
নখের সামনে লেগে আছে জীবন
সময়ের গায়ে রক্তের গন্ধ
ভ্যাম্পায়ার জীবনে।
Wednesday, April 21, 2021
ভাবনায় তুমি
কার্নিশ
শব্দহীন
শব্দহীন
... ঋষি
"এত বেশি কথা বলো কেন? চুপ করো
শব্দহীন হও
শষ্পমূলে ঘিরে রাখো আদরের সম্পূর্ণ মর্মর
.
লেখো আয়ু লেখো আয়ু। "
.
চিনতে পারেন ভদ্রলোককে
চিত্তপ্রিয় ঘোষ,
আরে সেই বাংলার অধ্যাপক ,টাকমাথা ভদ্রলোক
হ্যা তোমার পাড়ায় হতে পারে ,কিংবা আমার পাড়ায়
আমাদের খুব কাছের ,
উনি আজ চুপ ,হ্যা উনি আজ শব্দহীন ।
.
ভদ্রলোক কবি ছিলেন
একমাথা শূন্য ভাবনায় অবিরত লিখে চলতেন চেতনা ,
সময়ের জ্ঞানে
সময়ের অক্ষরে যার প্রতিটা পাতায় শুধু গন্তব্য সভ্যতার
উঁকি মারা অহংকার বুকে
আজ এক বুক স্তব্ধতা।
.
"তোমার কোনো ধর্ম নেই, শুধু
শিকড় দিয়ে আঁকড়ে ধরা ছাড়া
তোমার কোনো ধর্ম নেই, শুধু
বুকে কুঠার সইতে পারা ছাড়া। "
.
জানি এমন অমোঘ শুধু আসতে পারে কোনো ঈশ্বরের চেতনায়
জানি এমন ভাবনায় সভ্যতার কুঠারে ত্রিতালের সুর।
.
"নষ্ট হয়ে যায় প্রভু, নষ্ট হয়ে যায়।
ছিলো, নেই- মাত্র এই; ইটের পাঁজায়
আগুন জ্বালায় রাত্রে দারুণ জ্বালায়
আর সব ধ্যান ধান নষ্ট হয়ে যায়। "
.
অসামান্য কিছু ভাবনা যখন শব্দের রঙে বাঁধ ভাঙে হৃদয়ের
তখন মনে আসে সেই ভদ্রলোকের কবিতা,
চিত্তপ্রিয় ঘোষ ওরফে শঙ্খ ঘোষ আজ শব্দহীন হলেন
প্রণাম জানায় সেই শব্দের ঈশ্বরকে,
শান্তি কামনায় আমি মানুষ এই সভ্যতায়
এক বুক নিস্তব্ধতা নিয়ে চুপ আজ ,শব্দহীন ।
Tuesday, April 20, 2021
ব্ল্যাক আউট
এক কাপ চা, তোমার ঠোঁট আর অপেক্ষা
গসিপ
Sunday, April 18, 2021
প্রেম একলব্য
ভালোবাসা মানে তুমি
Friday, April 16, 2021
প্রকৃতি ও পুরুষ
আজকের আয়না
আজকের আয়না
.... ঋষি
কবিতার শব্দরা সব ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে আগামীতে ভয়ে
সকলেই জানে, বিপ্লব মরে গেলে জনগণ অপেক্ষায় থাকে
অন্য বিপ্লবের ,
মানুষ মরে যাচ্ছে পাথরে, ফুটপাথে ,হসপিটালের বাইরে
চারিদিকে হাততালি
সাব্বাশ টু থাউজেন্ড টোয়েন্টি ওয়ান
শহরে কফিন ঘুরছে।
.
অচেনা মানুষ এই শহরে লাশ হবে বলে
দরদাম হচ্ছে বেওয়ারিশ হৃদয়
ভয় করছে চলন্তিকা
তুমি ,আমি ,আমরা সকলে এক লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছি
কিংবা সময় গুনছি
ফুরিয়ে যাওয়ার আগে নিয়মিত চোখ রাখছি টিভির জানলায়।
.
দোকানপাট বন্ধ ,বন্ধ সেলুন ,মুদিখানা ,গাড়ির দোকান ,চায়ের দোকান
পাড়ার ব্যারিকেডে দাঁড়িয়ে আছে সাদা পোশাকের ঈশ্বর
ওদিকে কেউ যাবেন না
আমরা দেখেছি টু থাউজেন্ড টোয়েন্টি ,আমরা বেঁচেছি ,
কিন্তু এবার ভয় করছে
সারা শহর জুড়ে আগামীর মৃতদেহগুলো হয়তো মুখ দেখছে
আজকের আয়নায়।
.
সকলে ভেসে আছি আজ ভয়ের সমুদ্রে
বুঝতে পারছি না
আমাদের বেঁচে থাকার নৌকাগুলো ক্রমশ প্রকাশিত অসহায় ,
রাষ্ট্র কি করছে ?
মিথ্যের মত করে করে সত্য
সত্যের মত করে করে মিথ্যে
না আর লিখতে পারছি না
আর দেখতে পারছি না সারা শহরে ছড়ানো মানুষের মৃতদেহ
সারি দেওয়া লাশ শ্মশানের গায়ে ,
হা ঈশ্বর
আর হাঁটতে পারছি না এই শহরে ,এই সময়ে ,এই রাষ্ট্রে
প্লিজ একটা সান্তনা
প্লিজ একটা মাস্ক
প্লিজ স্যানিটাইজ ইউর হ্যান্ড
প্লিজ কিপ ডেসটেনসিং ,
না তবু ভয় পাচ্ছি ,আমি ভীষণ সাধারণ
মরতে চাই না আমি।
Thursday, April 15, 2021
একটা বোধ
Wednesday, April 14, 2021
ভালো থাকুক মানুষ
ভালো থাকুক মানুষ
.... ঋষি
শুভ নববর্ষ
সময়ের কাছে ফিরে চাওয়া এক মুঠো আলো
এক সমুদ্র ভালো থাকা বুকে
জেগে উঠুক মানুষ ,জেগে উঠুক সভ্যতার প্রতীক মানুষের বোধ।
.
আমি ফিরে ফিরে আসি বারংবার
আমার একফালি হৃদয়ের বারান্দায় নতুন দেখা দিন ,
সৌজন্যে বাঙালিয়ানা
সৌজন্য রসগোল্লা ,কলেজস্ট্রীট ,শ্যামবাজার ,ধর্মতলা
পুরোনো ট্রাম
আর এই শহরের ব্যস্ততম দিন।
.
কিছুই পুরোনো হয় নি
কিছুই বদলায় নি আজও
শুধু মানুষ ,শুধু মানুষের চোখে দেখা বাঁচতে চাওয়া দিকদর্শন ,
যদি আকাশের কথা বলি
মানুষ অবাক চোখে আজও খোঁজে নিজের ভালোথাকা।
যদি রৌদ্রজ্বল দিন
মানুষ আজও খোঁজে নিজের বিগত ভুল
হাত থেকে গলতে থাকা রেত ,কিছু গাণিতিক ভুল ,
তবে মানুষ ফিরে আসে
মানুষকে ফিরে আসতে হয় নিজের কাছে।
.
চলন্তিকা তোমাকে বলি
আমার কাছে ফিরে আসা মানে অন্য একটা দিন ,
আমার কাছে জীবিত থাকা মানে এক সমুদ্র রেত
আর আমার কাছে জীবন মানে ভালোবাসা
আর আমার কাছে সময় মানে দিন প্রতিদিন
মানুষের ভালো থাকাগুলো ছোট ছোট বাক্সে রাখা
এক অদ্ভুত স্রোত
ফিরে আসুক মানুষ
আজ এক খুশির দিন ,শুভ নববর্ষ
এই শুভেচ্ছায় ,শুধু বলতে চাওয়া ভালো থাকুক মানুষ।
আমার কবিতারা
সৌজন্যে রবীন্দ্রনাথ
ভালোবাসি যারা বলে
খাঁচা
দুর্বোধ্যতা
এইসা দিন নহি চলেগা
Tuesday, April 13, 2021
আমার কোন পথ নেই
আমার কোন পথ নেই
... ঋষি
.
আমার আর কোন পথ নেই ,আমি আর পথিক না
সময় আমাকে অজ্ঞ করেছে বড় ,
সর্বনাম, অব্যয় ভুল
সম্বোধন পদ 'তুই' বলার নিষেধাজ্ঞার ভেতর,
সময়ে ভুল করি
টুংটাং দেওয়াল ঘড়িতে লেখা হয় সময় বিধাতার নাম।
.
দাড়ি, কমা, কোলন, সেমিকোলন, হাইফেন-যতিচিহ্নে
সবকিছু ভূতের মতো তাড়িয়ে বেড়ায়
অ থেকে অজগর ,ক থেকে কোন্নগর সব কেন অবধারিত নেশা আমার কাছে ,
আমি ফেরিঘাটে যাই
দেখি শ্মশানপাড়া ,দেখি শ্মশান বন্ধু
সারমেয়র পাশে শুয়ে জীবন কেমন জানি ফুটপাথ।
.
আমার রাতের টিনের ওপর সারাক্ষন বৃষ্টির শব্দ হয়
নিজের নাম ভুলে যাই ,ভুলে যাই ভুলের না
আমার হৃদয় আমায় ছেড়ে জ্যান্ত ভুল
এই শহরের পথঘাট - বিষাক্ত ভুল
হাজারো চিৎকার ,হাজারো ভাষা - অপাংতেয় ভুল
সম্পর্ক শব্দটা মরীচিকা - তৃষ্ণার ভুল
আর জীবন - ভুল ,ভুল ,,,,,ভুল।
.
আমার চক্ষু নেই, কর্ণ নেই
কর্ণের বীর হওয়ার গল্প আমার জানা নেই,
আমার প্রাণ আছে ,দিল নেই
দিলওয়ালে দুলহানিয়া সিনেমাটা আমার দেখা নেই।
আমার শহরের আবাদি আছে বরবাদী আছে
কিন্তু এই শহরে আমি কোত্থাও নেই ,
রোম ,গ্রীস ,ফিলাডেলফিয়া শুধু মানচিত্রে কতগুলো নকশা টানে
অথচ আমার রক্ত মাংসের নকশায় কোনো গন্তব্য নেই।
অস্তিত্ব ও স্মৃতি
Sunday, April 11, 2021
স ম কা ল
ঠিকানা
চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়
প্রতিদিন
শোনা কথা
কাঙাল মালসাট
সকল প্রেমিকদের জন্য
ইসস্তাম্বুলের ঘোড়া
Saturday, April 10, 2021
ভালো লাগছে না
মানুষের জন্য
ক্রিটিক্স
Thursday, April 8, 2021
প্রিম্যাচিউর কবিতারা
প্রিম্যাচিউর কবিতারা
... ঋষি
১
.
কীভাবে হারিয়ে যাচ্ছি একটু বলি
এইসব অর্ধেক ফাঁকা সন্ধ্যে ,
নিয়মের ঠোঙার মতন ঘর, পৃথিবীর শেষ প্রান্তে গন্তব্য
দুভাগ করা নদীর সঙ্গমে জল
আমাদের দেখা হওয়াগুলো প্লুটোয় জল থাকার মতো কাল্পনিক।
কয়েকটামাত্র লাইন জড়ো করে শব্দের পিঁপড়েগুলো কোথায় নিয়ে যাবো
দিনগুলো ঠিক যেভাবে দেখতে চাইছি
গলে যাচ্ছে ডার্ক চকোলেট তোমার ঠোঁট বেয়ে।
.
২
.
সত্যিই কি চাইছি অন্য কোন পৃথিবী
গ্রহের রকমফের বায়ুমণ্ডলের স্তরে একটা পাথরের ঘর
নতুন করে একটা পথ হাঁটা শুরু করি
ম্যানড্রেকের ঝোলা থেকে বেরিয়ে আসুক সাদা পায়রা
বাকুম বাকুম ,
অফিসে ছুটির দরখাস্ত ওয়াকিবহাল
নিরুত্তর প্রলাপ
পথচলা।
.
৩
.
বুঝতে পারছি ভীষণ সত্যি লিখছি আমি
টেবিলের ওপরে বোতলের জলে পৃথিবীর তিনভাগ জল
সত্যিটা এত সহজ না
সকলে বলতে চাই
ঘুরেফিরে ট্রাফিক জ্যাম পেরিয়ে আমরা যেটা বলতে চাই
সেই সত্যি।
সিগারেট পুড়িয়ে নিকোটিন বুকে দ্রাব্যতা
তোমার মতো আমিও সংসারী এই সমাজে।
.
৪
.
জলের উপর ঘর
মহাদেশ থেকে তুলে নেওয়া মানচিত্রে আমার হাঁটা ,
আমার ছেলের হাতে গ্লোব
গ্লোব ঘুরছে ,স্ট্যাচু
প্রিন্সিপাল থেকে প্রফিটের দিকে মানুষের লোভ।
হেলে পড়া গল্পগুলো ডাকবাসের ঠিকানায় পাঠিয়ে দিয়েছে ব্রায়ের সাইজ
অথচ আমার তালুতে তোমার বুক যেন মহাদেশ।
.
৫
.
একটা অসম্ভবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি
পায়ের নিচে চাপা পড়ে যাচ্ছে আমার বিগত কিছু সম্ভাবনা
রৌদ্রনীল তার আভা, দোমড়ানো কাগজের ঠোঙা খুলে
মুড়ি আর মার্কশিট ,
সময়ের ভিতর সময় প্রগলভ বাতিঘর
অথচ আমার মাথার উপর বালবের ক্রনিকাল এক্সরে।
আর কিছুদিন বেঁচে থাকলে
মানুষগুলো হাতে ভর করে আকাশে পা দিয়ে চলবে
আমি লিখে যেতে পারব,
পকেটে আমার শহর আর অক্সিজেন তোমার চোখে।
ওয়ার্শন শায়ারের কবিতার উত্তরে
ওয়ার্শন শায়ারের কবিতার উত্তরে
... ঋষি
ওয়ারশন শায়ার লিখলেন ঘর কেউ ছেড়ে যায় না
আমি লিখলাম কাঁটা তার ,
ঘরের সীমান্তে দাঁত ফুটিয়ে বসে আছে লোভী ,পাপিষ্ঠ সাম্রাজ্যবাদ
কোন ঘর এটা ?
কোন সময়ের কথা বলছেন মশাই ?
সকলে পাপী হয়ে যায় সহজে ,ঈশ্বর ভাবনায় আজকাল প্লাস্টিক লাগে।
.
সকলে পালাচ্ছে
পালাচ্ছে কলেজের মেয়েটা সেই ছেলেটার সাথে
যে ছেলেটা বাসস্টপে অপেক্ষা করে রোজ ক্লিওপেট্রাকে দেখবে বলে ,
আর মেয়েটা রোজ নিয়ম করে আন্টি প্রেগনেন্সি ডোজ নিচ্ছে
কোন সময় এটা
কি যোগ্যতা
সকলে বয়ে চলে সময়ের সাথে ,জালিয়ানওয়ালাবাগ বিদ্রোহ করে না আর।
.
ওয়ারশন শায়ার লিখলেন ঘর কেউ ছেড়ে যায় না
কিন্তু কোন ঘর মশাই ?
ঘর কেউ ছাড়ে না ঠিক ,ঘর যদি মানুষকে ছেড়ে না যায়
কি কারণ ?
সাপ কেউ মারে না কোনোদিন যদি সাপ না মানুষকে কামড়ায়
কি কারণ ?
দেশপ্রেম ,জাতীয়সংগীত ,নাকি প্রবণতা।
মানুষ পালাচ্ছে রোজ নিজের থেকে রিফিউজি ক্যাম্পে
ভাবনায় বাউল জুড়ে খালি পায়ে ধুলো
রুক্ষ বেনামি পরিচয়ে
কিন্তু কেন ?
.
কোন মেয়ের চামড়ায় এমন পাথর থাকে না
যে গলে যায় না মোম আগুনের ছোঁয়ায়
কিন্তু কেন ?
উত্তর একটা আছে ওয়ারশন মশাই
"অভাব " ,
সকলেই অভাবগ্রস্থ একটা দেশের নাগরিক
সকলেই নগ্নতার মিছিলে অদৃশ্য পোশাক পড়ে ক্রীতদাস
সকলেই ঘর ছাড়া আমরা ,
কারণ আমাদের ঘরের নামে অভাব
আর সময়ের নামে স্বভাব
বিতর্কের বিষয় হলো আমরা কমবেশি মিথ্যে বলি সকলে।
সেই রাস্তাটা
সেই রাস্তাটা
... ঋষি
.
চারদেওয়াল খুব দরকার ছিল
দরকার এই শহরে একটা পাহাড়ি পাহাড়ি মাথা গোঁজার ঠিকানা নিজস্ব কেয়ারওফে।
এখন আমি একটা রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে
রাস্তাটা আমার জীবনের দরজার সামনে সময় তৈরী করেছে
হ্যা রাস্তার উপর জলের কল আছে
আছে অনেকটা চওড়া ফুটপাথ ,ফুটপাথে আলো
এই রাস্তাটা অতন্ত নিজস্ব যাত্রা আমার।
.
ফিরে আসছি পরের ঠিকানায়
দরজার বাইরে পা রেখে খুলে যায় বলিউডের কোনো সস্তা থ্রিলার
কিংবা টি আর পিতে দাঁড়ানো সময়ের হাততালি ,
শাস ভি কভি বহু থি
অদ্ভুত সব কান্ড কারখানা
যেখানে কারখানার ধোঁয়ায় দমবন্ধ লাগে নাগরিক নিরাপত্তায়।
.
সবটাই খুলে বলছি
শুধু বিপদ হলো , সুনাগরিকের কখনো পোশাক খুলে ঘোরে না রাস্তায়
তাই মাঝে মাঝে আমার টেস্টটিউবের ফুৎকারে ছড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করে হিংসা
তাই মাঝে মাঝে আমি পাগলা জগাই হয়ে রাস্তা দেখি ,
কিংবা প্রসব করি কবি চিত্তে সন্তান
আর বলবেন না ,কি বীভৎস সেই মুক্তি।
বেগুনি কোনো স্বপ্নের মধ্যে আমি আমার পিতৃপুরুষের মুখাগ্নি করে
জীবনকে করে ফেলি সফর
আর সেই সফরে আমি জীবনের সামনে তৈরী রাস্তায় পথ হাঁটি
মাঝে মাঝে হোঁচট খাই
আবার উঠি ,আবার হাঁটি
আপনারা দেখবেন আমি গন্তব্যে পৌঁছবো ঠিক একদিন
দেখবেন চলন্তিকা অপেক্ষা করবেন সেই ঠিকানায়।
আমরা করবো জয়
আমরা করবো জয়
... ঋষি
সময়ের কাছে নতজানু হয়ে বসে আছি
তোমার চোখে মুখে আজকাল দিনান্তের ক্লান্তিগুলো প্রকট ,
প্রকট আমার কাছে জং ধরা দিনের কবিতা ,
গুঁড়ো গুঁড়ো স্থবিরতা
গুঁড়ো গুঁড়ো দৃশ্যগুলো আমাকে বন্দি করছে ফটোফ্রেমে
আমার গলায় ঝোলানো সময়ের শিকল।
.
না এই মৃত্যু আমার না
না এই মৃত্যু শুধু হাওয়ায় ভাসতে থাকা গসিপের মতো সামান্য নয়
আসলে এই মৃত্যু পালাবার
পালাতে পালাতে আমার আটত্রিশটা পাথর
পালতে পালাতে আমার দেশের নামে বলাৎকার
হৃষ্টপুষ্ট নধর কান্তি সময় সাক্ষী
আমার হাসিতেও আজকাল মৃত্যুর পায়ের শব্দ পাওয়া যায়।
.
এই উন্মাদ সময়
পটাসিয়াম সায়ানাইট ,মৃত্যুমিছিল ,কারফিউ আর মগজধোলাই
আমি তো বলতে পারছি না নবারুণ স্যারের মতো
এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না
বরং মৃত্যুকে সাক্ষী রেখে নকল মিডিওকার গোলাপ স্বপ্নে ভাসছি ,
চারিপাশে মৃতদেহ আমি সাক্ষী
সম্পর্কের সব সাজানো লাশ।
.
না এই মৃত্যু আমার না
বরং সময়ের বুকে তীর মেরে আমার বারুদের ঘোরে বিদ্রোহী বিস্ফোরণ ,
নিপাত যাক সময়
নিপাত যাক ভিক্তোরিয়া ,কলেজস্ট্রীর ,প্রেসিডেন্সি ,রাসবিহারী
সব সময়ের সময়ের বিদ্রুপ ,
জেগে উঠুক মানুষের মুখ
জেগে উঠুক মানুষের স্বপ্ন
আর আমার বিশ্বাস
পিট সিগার ভুল করে লেখেন নি "আমরা করবো জয়"।
এক দুপুরের কবিতায়
এক দুপুরের কবিতায়
... ঋষি
চূড়ান্ত ঝিমিয়ে থাকা দুপুর
মজলিশ খুলে বসে ওপাশে নারীতান্ত্রিক একটা দুনিয়া ,
পুরুষ আমি ,নারী লিখবো স্বাভাবিক
কিন্তু তোমাকে যে বারংবার শকুন্তলা লিখতে হবে কথা নেই
লিখতেই পারি
পাঞ্চালির মতো বানভাসি এক স্বর্গদুয়ার।
.
পোট্রেটে টাঙানো তোমার ছবি
বেশ লাগে ক্যানভাস গড়িয়ে লাল ,নীল সবুজের তোমায় দখল করে ,
আমার দখলের প্রতি লোভ ছিল না কোনোদিন
আমার কাছে কেওড়াতলা থেকে সোনা পট্টি সবজায়গায় বেনিয়ম ,
এখনো আবিষ্কার করতে পারলাম কই মানুষের জীবন
বেঁচে থাকা ,
কিংবা স্ত্রীর থেকে বেশ্যা কিংবা প্রেমিকা
কে সতী ?
.
পাপ ,পুন্ন আর দেওয়ালে টাঙানো রবীন্দ্রনাথের ছবিটা
কে যে পবিত্র ?
পবিত্র গঙ্গা না সংসারের বমি কুড়িয়ে মানুষের পরিচয়
তোমার রান্নাঘর
তোমার মরুভূমি
কিংবা ওয়েসিস।
চশমা লাগানো চোখে আজকাল আলপিন ফোটে আলোর ঠিকানায়
আলতো ইশারাতে নড়ে চড়ে বসা এক কাঠের পুতুল
সময়ের মানুষ
উড়তে থাকা ফানুস,
আজ বহুদিন একটা গল্প লিখবো বলে ভাবছি চলন্তিকা
কিন্তু গল্পটা হারাচ্ছে জীবন বিপদগামী সীমানা পেরিয়ে
নারী বুকে দীর্ঘশ্বাঃস ব্লাউজের মাপ দিচ্ছে সময়ের দর্জির কাছে
অথচ সহজ সে মাপ ক্রেডিট লিখছে এই কবিতায়।
ফুলস্টপ
ফুলস্টপ
...ঋষি
শুধু একটা ফুলস্টপ চাই বলেই সেন্টেন্স টু ডেথ
সেইজন্য গলায় দড়ি ,দশতলার ছাদ থেকে লাফ দেওয়া ,
তবে অদ্ভুত ব্যাপার হলো
প্রতিটা শব্দ মন্ডলীর পরিবেশনের পর ফুলস্টপ স্বাভাবিক
তবে কেন গায়ে পরে ,গায়ে টানা
ফুলস্টপ বাঞ্চনীয়
গীতায় লেখা আছে সেই একমাত্র সত্যি।
.
ধরুন মোদীজিকে সামনে পেলে জর্জ ওয়াশিংটন কি বলতেন ?
জর্জ ওয়াশিংটন কে সামনে পেলে রাক্ষস গুরু শুক্রাচার্য কি বলতেন ?
রাক্ষস গুরু শুক্রাচার্য সামলে পেলে মোঘল সম্রাট শাজাহান কি বলতেন ?
শাজাহানকে সামনে পেলে পেলে চৈতন্যদেৱ কি বলতেন ?
আর চৈতন্যদেবকে সামনে পেলে প্রফেট মোহাম্মদ কি বলতেন ?
কি বলতেন তথাগত ?
উত্তরগুলো সবাই বোধহয় জানি
ইতিহাস সাক্ষী ফুলস্টপ শুধু কোনো স্টপ নয় নতুনের শুরু।
.
সাধারণ জনগণ আজ সময়ের রথে করে কুরুক্ষেত্রে
সম্পর্ক শব্দটা ডিকশনারিতে আজকাল মানায় ভালো
শহর হোক বা গ্রাম
গ্রাম হোক বা দেশ
দেশ হোক না মহাদেশ
মহাদেশ কিংবা পৃথিবী
সকলের মনে থাকে ফুলস্টপ বাঞ্চনীয় একটা নিয়ম ,
সকলেই চেষ্টা করে এড়িয়ে যাওয়ার
আর কদিন
হাওয়ায় হাওয়া
তারপর স্টপ। অবশ্যি ফুলস্টপ।
সময়টা ঠিক ভালো চলছে না
সময়টা ঠিক ভালো চলছে না
... ঋষি
.
আজকাল অন্ধকার আরও গভীর হয়
কেবল কোনো দূরত্বে যদি করনায় কেউ মারা যায়
তার গন্ধ আরো গাঢ় হয়ে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।
পায়ের তলায় সকাল থাকে ,কিংবা সন্ধ্যে
সেই গন্ধ পিছু ছাড়ে না
পায়ের গতি বাড়িয়ে দিলেও তাড়া করে মানুষকে ভয়ার্ত রূপে।
.
কি করবেন ?
কমতে থাকা পেনশনের টাকা ,বাড়তে থাকা সময়ের মূল্য
সাদা ভাত ,বিছানার তুলো আর ইট বালি ,
কাহাবাত শোনা
জো জিতা ওহি সিকান্দার
ওর হার জানে বালেকো সাধারণ মানুষ বলে।
.
এই শহরে আলোর নেহাত কিছু কম নয় প্রতিটা ফুটপাথে
তবুও সেই রিমেকি আলোর তীব্রতা ছাড়িয়ে যায় না সাধারণ জীবন ,
অথচ মানুষ ভীষণ বোকা
সেই গলিগুলো , যেখান ঢুকলে খোলা নর্দমার গন্ধ পাওয়া যায়
শোনা যায় খিদের পৃথিবীর মহাসিন্ধু
সেখানেও আপনার সাথে পরিচয় হবে একটা ভারতবর্ষের
যেখানে গোছানো রাজনৈতিক কথোপকথনে এককাপ ভাঁড়ের চায়ের সহযোগে
আপনি বলবেন মানুষগুলো কিছুই মানছে না
মুখে মাস্ক নেই ,
কিন্তু বিশ্বাস করলেও আপনি বলবেন না
মানুষগুলোর পেটে ভাত নেই।
.
ঠিক এই সময় আপনার চোখে পড়বে
পাড়ার দুর্বল কোনো দেওয়ালের গায়ে একটা রাজনৈতিক মঞ্চ
যেখানে হারমোনিয়াম বাজিয়ে গুপী যোগী ভজন গাইছেন
আর পাশে দাঁড়িয়ে সেই বেআব্রু লিপস্টিক লাগানো ক্ষমতা ,
শাড়ি তুলছে
আসলে খিদের পৃথিবীতে মানুষগুলো পণ্য।
আমি জানি আপনিও ভিড়ে যাবেন ওই দলে
গায়ে আপনার ফুটপাথের ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলো
আপনি দেখবেন সব
অথচ অন্ধকারের অজুহাতে আপনি জোরে হেঁটে পার করবেন সময়টা ,
কিংবা জোর করেই বলবেন আপনার স্ত্রীকে শোয়ার খাটে
বুঝলে সময়টা ঠিক ভালো চলছে না।
ভালোবাসার ঈশ্বর
ভালোবাসার ঈশ্বর
.... ঋষি
যীশুকে ওরা যখন চাবুক মারছে
রুখে দাঁড়ানোর মতো মেরুদন্ড ছিল না করোর
যীশুর রক্তমাখা শরীরে লাল সমুদ্র
যীশুর সেই রক্ত বোধহয় ভালোবাসা
আর যীশুর ক্রুশ হলো
ভালোবাসার কাঁটা।
.
ক্রুশ যন্ত্রণা নয় আসলে, অপমান
এই দেখআমার মধ্যে সেই ইহুদীর বাচ্চা রাজা
এই দেখো আমার মধ্যে ঘুমিয়ে আছে একটা জাত মজদুর ,
ভবিতব্য
একজন ঈশ্বরের মৃত্যু খবরের কাগজে দাগ রাখে কিছুক্ষন
অথচ ঈশ্বরের মৃত্যুতে পৃথিবীর বদল নেই।
.
যীশুকে যে চাবুক দিয়ে আঘাত করা হয়েছে তা চামড়ার
অথচ সময়ের চামড়ায় আজ গন্ডারের মুখ ,
আমার মানুষের চামড়া সম্বন্ধে জানা নেই
তবে শোনা কথা মানুষের চামড়ার অজস্র স্তর।
আমি স্তর শিখবো বলে মানুষের রক্তপ্রবাহে অদ্ভুত ভাবে খুঁজে পাই নদী উৎস
খরস্রোতা জলস্রোত ,
খরস্রোতা জলস্রোত বললে আমার মনে আসে
একলা দুপুর
আর তোমার খোলা অবিন্যস্ত চুল
ভাবনা।
.
সময়ের সস্তার দিকে বিশেষ যাওয়া হয় না
তাই আমি ক্রমশ ভুলে চলেছি আমার মানুষরূপী এই শরীরটা ,
আমার রক্তে আজকাল অদ্ভুতভাবে যীশুর ভাবনা
ভাবনা পবিত্র ঈশ্বর
আর পৃথিবীর ভিতরে আরেকটা পৃথিবী।
না না আন্দোলন নয়
না না গণপরিবহন নয়
না না কোন বিপ্লব ,কোনো পরিবর্তন দরকার নেই
দরকার শান্তি ,ভালোবাসা
পবিত্র জেরুজালেমের মাটি যাতে আর না ভেজে যীশুর রক্তে।
মৎস্যকন্যার গল্প
মৎস্যকন্যার গল্প
... ঋষি
হারামিটার গলার আওয়াজ রোবটের মতো
এখন প্রশ্ন আমি জানলাম কি করে ?
জানতে হবে আসলে মানুষ জাতটাই একটা হারামির জাত
সে শহর হোক কিংবা গ্রাম কিংবা বন্দর।
এবার প্রশ্ন আমি কে
মশাই আমিও একটা হারামি ,হ্যা অবশ্যই পুরুষ বাইলজিকাল সার্ভেতে প্রমাণিত ,
হ্যা আমার মতো প্রাণীদের প্রশান্ত মহাসাগরে লুকোনো জল থাকে।
.
যাই কথা হারামির কথা বলছিলাম
হারামিটা ক্লিভেজের ৩৬ সাইজ জুড়ে ঘামের শব্দ শুকছে ,
এই প্রকট দুপুরে
মাটি খুঁড়ছে ,খুঁড়ে চলেছে প্রশান্ত মহাসাগরের মৎস্য কন্যা ,
হারামির হাতে ফোন
আর অন্যহাতে ধরা আছে নিয়ন্ত্রিত সাইক্লোন ,
ঝড় উঠছে
কাজ শেষ ,ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছে প্রশান্ত সাগরের মাঝে মৎস্যকন্যার ডানা কাটা শরীরটা।
.
প্লিজ ভাইয়োলেন্ট হবেন না
শুনেছি মৎস্যকন্যার ডানাতে গণতান্ত্রিক ভারতবর্ষের পৌরুষত্ব থাকে
আর মৎস্যকন্যার আঁশটে গন্ধে থাকে মর্দানি ,
হারামিটা সত্যি বলছিল
রেকর্ড হচ্ছিল হারামিটার রোবোটিক গলা
বলছিল মামনি নাকি রোজ ফোন এসে বলে " সাবস্ক্রাইব করুন"
তাই নাকি গত রাতে সে ঢুকেছিল প্রশান্ত মহাসাগরে জাহাজ নিয়ে
বুঝতেই পারে নি
মৎস্যকন্যার পেটে তখন অনেকগুলো ডিম্ ,
সে চুষছিল মৎস্যকন্যার ডানা
তারপর নিয়মমাফিক লাথি মেরে ফেলে দিয়েছিল মৎস্যকন্যাকে
একদম বুঝতে পারে নি
তার কিছুক্ষনের মধ্যে মৎস্যকন্যা ভেসে উঠেছিল প্রশান্ত মহাসাগরে।
।
.
এ তো রোজকার
পুলিশ স্টেশনে হারামিটা লাঠি নিয়ে বলছিল হারামীটাকে
সব ঠিক করেছিস এখন প্রমান যে রয়ে গেছে
বডি লোপাট করতে হবে
যতই তোর বাবা এই গণতন্ত্রের ঠাকুরদা
তুই নাতি বলে কথা।
মৎস্যকন্যার ডানা কাটা শরীর আমরা আর খুঁজে পাই নি
শুধু মৎস্যকন্যার নাজায়িস ডিমগুলো ছড়ানো ভারতবর্ষে
প্রমান করছে রোজ
হারামির সন্তান হারামি হয়।
অসহায়তা
অসহায়তা ... ঋষি . আমার আজ বহুদিন কবিতা আসছে না না আনন্দের ,না প্রেমের ,না শহরের ,না মানুষের কলমের মুখে আটকে আছে যেন দ্বিধা চারিদিকের আ...
-
মুখাগ্নির মন্ত্র ... ঋষি . এক শতাব্দী নিজস্ব অন্ধকারে লুকিয়ে থেকেছি এক শতাব্দী লাট খেয়ে পরে থাকা মৃতদেহ কুড়িয়েছি কুড়িয়েছি ভনভন পচে যাও...
-
বৌদি তোমার জন্য .... ঋষি ==================================================== তোমাকে চিনি আমি বৌদি ঠিক আমার বাড়ির উল্টোদিকে ছাদে তুমি স...
-
আকডুম বাগডুম মেশানো ট্রিম করা কবিতায় গতজন্ম শুয়ে, রোদ্দুর রায় কতটা রোদ্দুর মাখলো, কতটা মাগী ঘাটলো তাতে শুনতে সমস্যা জানি, আরো সমস্যা...

































